kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

'শুধু ফেসবুকে লিখলে হবে না, হলে আসতে হবে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:১৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'শুধু ফেসবুকে লিখলে হবে না, হলে আসতে হবে'

ছবি-কালের কণ্ঠ

ঠিক দেড় বছর আগে এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আজকের দিনে এই যে দাঁড়িয়ে আপনাদের সামনে এই ছবি নিয়ে বলবো এমনটা চিন্তা করেছিলাম। আজ সেই চিন্তার বাস্তবায়ন হচ্ছে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে। আপনাদের সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। এগিয়ে আসতে চাইলে হলে আসতে হবে, শুধু ফেসবুকে লিখলেই হবে না। সিনেমা দেখতে হবে।

শনিবার বিকালে তেজগাঁওয়ের বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে আয়োজিত ‘সাপলুডু’র  চলচ্চিত্রের গান রিলিজ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পূর্ব মুহূর্তে সাংবাদিকদের সাথে কথাগুলো বলছিলেন চিত্রনায়ক আরেফিন শুভ। 
 
এমন থ্রিলার চলচ্চিত্র বাংলা ভাষায় খুব কম হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দর্শকরা অনেক সাপোর্টিং। তারপরেও দর্শকের কাছে একটাই প্রত্যাশা, তারা ঘরে বসে না থেকে সিনেমা হলে এসে ছবিটা দেখুক। টিকেট কেটে সিনেমা দেখলে প্রযোজক কিছু টাকা পাবে, এটা এজন্য বলছি না। দর্শককে হলে আসতে বলছি, কারণ এই মুহূর্তে বেশ ভালো ভালো ছবি হচ্ছে। আর সাপ্লুডুর মতো থ্রিলার ছবি খুবই কম হয়েছে আমাদের দেশে।

তারকাবহুল ছবি উল্লেখ করে আরেফিন শুভ বলেন, এই ছবি আমার ছবি, আমাদের ছবি একটা স্বপ্নের ছবি। এই ছবিতে কে নেই? আপনাদের পরিচিত তারকা কে নেই? আমি আছি, বিদ্যা সিনহা মিম আছে, মারজুক আছেন, রুনা আছেন, তারিক আনাম খান আছেন, সালাউদ্দিন লাভলু আছেন, জাহিদ হাসান আছেন, শতাব্দী ওয়াদুদ আছেন, সুষমা সরকার আছেন- কে নেউ? 

আরেফিন শুভ বলেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে আমরা এমন মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি, যখন দর্শকের সাপোর্ট খুব বেশি প্রয়োজন। আমাদের দেশের সব মানুষের উচিত, বর্তমান জরাজীর্ণ চলচ্চিত্র শিল্পকে আবার আগের মতো জায়গায় নিয়ে যেতে সহায়তা করা। আমরাও আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। নতুন নতুন গল্প নিয়ে, নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। আশা করি, সময়ের পরিবর্তন হবেই।

কেমন হলো ‘সাপলুডু’ খেলা?-এমন প্রশ্নে শুভ বলেন, আমরা ছবিটা করেছি দর্শকদের জন্য। ‘সাপলুডু’ কেমন হলো ২৭ সেপ্টেম্বর হলে মুক্তি পাওয়ার পর বোঝা যাবে! দর্শক বলুক, ছবিটা কেমন হয়েছে। তবে এটুকু বলি, ‘সাপলুডু’ এক্সট্রা অর্ডিনারি কিছু না। তবে আমরা একটা সাদামাটা গল্পকে একটু ভিন্নভাবে বলার চেষ্টা করেছি। আশা করছি দর্শক এটা পুরোপুরি উপভোগ করবেন এবং তারা এটাও বুঝতে পারবেন যে আমরা ‘সাপলুডু’ কেমন খেলেছি!

বলিউড বা টলিউডের মতো আমাদের বাজেট নেই। আমাদের অনেক সংকীর্ণতা, অনেক সীমাবদ্ধতা। তারপরও আমরা আমাদের লিমিটেশনের মধ্যে দিয়েও দুর্দান্ত একটা কাজ করেছি বলে আমার মনে হয়। এখন বাকিটা দর্শকের বিবেচনা। বলছিলেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ।

গত বছর ২৬ অক্টোবরে শুরু হয়েছিল ‘সাপলুডু’র শুটিং। কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করে মানিকগঞ্জ, মধুপুর, গাজীপুর, টেকনাফ, কক্সবাজারে টানা শুটিংয়ের মাধ্যমে ৩ ডিসেম্বর শেষ হয় ছবির কাজ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা