kalerkantho

এবার পুজার থিম সং গাইলেন রেল স্টেশনের লতাকণ্ঠী রানু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ আগস্ট, ২০১৯ ২১:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রানাঘাটের রানুদির চর্চা এখন পশ্চিমবঙ্গের সব জায়গায়। কেবল গানের গলার জোরেই মুহূর্তে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। এবার দুর্গাপুজার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়লেন রানু মণ্ডল। আসন্ন দুর্গাপুজা উপলক্ষ্যে অর্জুনপুর আমরা সবাই ক্লাবের জন্য পুজার থিম সং গাইলেন তিনি। রবিবারই রেকর্ড করা হয় তাঁর গান। এমন সুযোগ পেয়ে খুশির জোয়ারে ভেসেছেন রানুদেবী। ক্লাব কর্তৃপক্ষের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই।

একে একে স্বামী, সন্তান সকলেই তার সঙ্গ ত্যাগ করেছিলেন। জীবনের বহু চড়াই উতরাই পেরিয়ে ঠাঁই হয়েছিল রানাঘাট স্টেশনে। কোনওক্রমে সেখানেই কাটছিল দিন। সেখানে নিজের খেয়ালে গান করাই স্বভাব ছিল রানু মণ্ডলের। আর সেই গান এক লহমায় পালটে দিল জীবন।

গানের গলার জোরেই রানুদেবী নজর কেড়েছিলেন পথচলতি একজনের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় তাঁর গানের ভিডিও৷ তারপর চারপাশের ছবিটা বদলাতে খুব একটা সময় লাগেনি। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর সন্তানের সান্নিধ্য মিলেছে। পরিবর্তন এসেছে জীবনযাপনের পদ্ধতিতেও। পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে পোশাক-সাজগোজেও। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অনেকেই।  তাঁর কন্ঠে মুগ্ধ হয়েছেন মুম্বাইয়ের সংগীত শিল্পীরাও।  এবার সেই রানু মণ্ডলের কন্ঠেই মাতবে অর্জুনপুর আমরা সবাই ক্লাব। তিনিই গাইলেন এবারের পুজার থিম সং।

রবিবারই অর্জুনপুর আমরা সবাই ক্লাবের পুজার থিম সংটি রেকর্ড করেন রানু মণ্ডল। গানটি লিখেছেন প্রীতম দে। কিন্তু এমন সুযোগ পাবেন কোনওদিনই ভাবেননি রানুদেবী। স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাসের ছাপ রানু দেবীর চোখে মুখে স্পষ্ট। আচমকাই যেন পালটে যাচ্ছে তাঁর পৃথিবীটা। চারপাশে এত আলো কল্পনাও করেননি তিনি। এখন শুধু অপেক্ষা গানটি মণ্ডপে বাজার। তাঁকে দিয়ে গান করিয়ে খুশি ক্লাব কর্তৃপক্ষও। পুজাতে অর্জুনপুর আমরা সবাই ক্লাবেও দেখা মিলবে তাঁর।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা