kalerkantho

রবিবার । ২১ জুলাই ২০১৯। ৬ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৭ জিলকদ ১৪৪০

করণ ওবেরয়কে 'মিথ্যা' ধর্ষণ মামলায় ফাঁসিয়ে এক নারী গ্রেপ্তার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জুন, ২০১৯ ১৪:২৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করণ ওবেরয়কে 'মিথ্যা' ধর্ষণ মামলায় ফাঁসিয়ে এক নারী গ্রেপ্তার

অভিনেতা করণ ওবেরয়কে মিথ্যা ধর্ষণের মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ধৃত ওই নারীকে আন্ধেরির নগর দায়রা আদালতে তোলা হয়। 

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে পেশায় জ্যোতিষী ওই নারী অভিনেতা তথা গায়ক করণ ওবেরয় বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই গত ৬ মে করণ ওবেরয়কে গ্রেফতার করে ওশিওয়ারা থানা। করণ তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজের ফ্ল্যাটে ডেকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ভিডিও শ্যুট করে সেটা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। 

এমনকি তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করে করণ ওবেরয় টাকা আদায়েরও চেষ্টা করেন বলে দাবি করেন অভিযোগকারিণী। অভিনেতার বিরুদ্ধে ৩৭৬ ও ৩৮৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। অভিনেতা করণকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল দায়রা আদালত। পরে ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনে ছাড়া পান অভিনেতা। 

এদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগকারিণী ওই নারীর পুলিশের কাছে আবারও অভিযোগ করেন, গত ২৫ মে প্রতঃভ্রমণের সময় তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে দুই যুবক এবং তাঁকে মামলা তুলে নেওয়ার কথা বলে অ্যাসিড হামলার হুমকি দিয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই গত ২৭ মে পুলিশ ওই দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে। তাঁরাই পুলিশকে জানায় পুরো ঘটনাই সাজানো। জানা যায়, ধৃত ওই দুই যুবকের মধ্যে একজন আবার নারীর আইনজীবীর ভাই। 

তিনিই পুলিশকে জানান, এই ঘটনার জন্য তাঁকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ভাড়া করে আনেন ওই মহিলা। পরবর্তীকালে মহিলার আইনজীবীও পুলিসের কাছে স্বীকার করে নেন পুরো ঘটনাই পেশায় জ্যোতিষী ওই নারীর সাজানো। যার জন্যই তাঁর কাজিনকে  ভাড়া করে আনা হয়েছিল। 

তাঁদের বয়ানের ভিত্তিতে সোমবার করণ ওবেরয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগকারিণী ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই নারীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২০, ১৮২, ২০৩, ৩২৪ ও ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

এদিকে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর 'বোম্বে টাইমস' কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে করণ জানান, কিছুদিন আগে আমি ওই নারীর বিরুদ্ধে আমি অভিযোগ দায়ের করেছি। একদিন ও আমাকে ফোন করে বলেছিল ও বিপদে আছে। আমি যখন ওর সঙ্গে দেখা করি ও আমাকে মারার চেষ্টা করে। তখনই আমি বুঝে যাই ওকে কোনওরকম সাহায্য করা সম্ভব নয়।

করণের কথায় এই মিথ্যা অভিযোগগুলোর জন্য আমার কেরিয়ারের থেকেও আমার মানসিক ক্ষতি বেশি হয়েছে। অবশ্য আমি ইতিমধ্যেই কাজের অফার পাচ্ছি। আমি সময় নিয়ে ভেবে দেখব এই প্রস্তাব গুলির বিষেয়। পাশাপাশি আমি আমার বই লেখার কাজও চালিয়ে যাব। আসলে জীবনে কোনওকিছুই থেমে থাকে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা