kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ জুলাই ২০১৯। ৮ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৯ জিলকদ ১৪৪০

‘আবার বসন্ত’-এ স্পর্শিয়ার যত পোশাক-আশাক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ জুন, ২০১৯ ১১:৩২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘আবার বসন্ত’-এ স্পর্শিয়ার যত পোশাক-আশাক

অর্চিতা স্পর্শিয়া নায়িকা আর তারিক আনাম খান নায়ক। অসম বয়সী দুই নারী-পুরুষের প্রেমের ছবি ‘আবার বসন্ত’। ছবিতে স্পর্শিয়ার চরিত্রের নাম তিথি। তিথির পোশাক-আশাক ও সাজসজ্জা নিয়ে লিখেছেন প্রীতি প্রাপ্তি

ছবিতে তিথি যেসব পোশাক পরেছে সেগুলো স্পর্শিয়া নিজেই পছন্দ করে কিনেছেন। সাজপোশাক নিয়ে বলার আগে তাই তিথিকে নিয়ে বলতে চাইলেন স্পর্শিয়া, ‘শহরে বেড়ে ওঠা একটি মেয়ে তিথি। ধনী পরিবারের মেয়ে। তবে তিথি স্বাবলম্বী হতে চায়। স্বাধীনচেতা মেয়ে। বিদেশেও যাতায়াত করে। মোট কথা একটি আধুনিক মেয়ে। তবে বাংলাদেশেরই মেয়ে। তাই পুরোপুরি ওয়েস্টার্ন পোশাক পরে না তিথি। চরিত্রের সামাজিক অবস্থান, বাঙালি দৃষ্টিভঙ্গি ও মেয়েটির স্বভাব ইত্যাদি বিবেচনা করে এক ধরনের ফিউশন সাজপোশাক বেছে নিয়েছি।’

তিথি ছবিতে জিন্স প্যান্টের সঙ্গে শুধু টপ বা টি-শার্ট পরেনি, লম্বা কুর্তিও পরেছে। আর ব্যবহার করেছে অ্যান্টিকের গয়না। স্পর্শিয়া পোশাকগুলো কিনেছেন ঢাকা ও ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন শপিং মল থেকে। গয়নাও কিনেছেন স্পর্শিয়া নিজেই। পরিচালক অনন্য মামুন তাঁকে এতে সহযোগিতা করেছেন।

স্পর্শিয়া বলেন, ‘চরিত্রটি জেনে নেওয়ার পর দৃশ্যগুলো বুঝে নিয়েছি। যেমন বাসায় যখন থাকে তিথি, তখন টি-শার্ট, ট্রাউজার পরে। আবার বাইরে গেলে জিন্সের সঙ্গে লম্বা কুর্তি পরে। এর মধ্যে আবার দুঃখের দৃশ্যে হালকা রঙের পোশাককে প্রাধান্য দিয়েছি, যাতে দৃশ্যানুভূতির সঙ্গে বেমানান না লাগে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সাধারণত কটনের পোশাকের রং ক্যামেরায় বেশি ভালোভাবে ফোটে না। তাই আমরা বেশির ভাগ জর্জেটের কাপড় ব্যবহার করেছি। তবে পোশাকগুলো যেন একঘেয়ে না লাগে সে জন্য কাটিং ও ডিজাইনে অনেক বৈচিত্র্য রেখেছি। কুর্তিগুলোর মধ্যে কোনোটার কাটিং গোল, কোনোটার সামনে কম, পেছনে বেশি ইত্যাদি। এ ছাড়া দৃশ্যের মেজাজ বুঝে কখনো হাতা ছাড়া, কখনো হাফহাতা আবার কখনো ফুলহাতার পোশাক পরেছি।’

স্পর্শিয়াকে ‘আবার বসন্ত’ সিনেমায় নতুন লুকে দেখা গেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা এটি। তাই নিজের লুকে কিছুটা ভিন্নতা আনতে চেয়েছি। দর্শক ভিন্ন কিছু দেখতে পাবেন। এ জন্য আমার কালো চুল ব্রাউন করেছিলাম। এ ছাড়া এই সিনেমায় আমি হানি কালারের লেন্স পরেছিলাম। এতে অল্প সাজপোশাকেও একটি মেয়েকে গর্জিয়াস লাগে।’

সাজের প্রসঙ্গ আসতেই স্পর্শিয়া বললেন, ‘আমাকে যাঁরা কাছ থেকে চেনেন, তাঁরা জানেন আমি একেবারে সাজগোছ পছন্দ করি না। নাটকে তো বেশির ভাগ সময় মেকআপই করি না। তবে এটা যেহেতু সিনেমা, তাই ক্যামেরার লাইটের সঙ্গে ত্বকের রং মেলাতে হালকা মেকআপ করেছি। কাজল আর লিপস্টিকের বেশি কিছু নয়। বেশির ভাগ সময় চুল খোলা ছিল। তাই চুলগুলো হালকা করে স্ট্রেট করে নিতাম। পোশাকের ধরন বুঝে কানের দুল ও মালা পরেছি।’

এই সিনেমার প্রিয় দুটি পোশাকের কথা জানতে চাইলে স্পর্শিয়া বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া থেকে কমলা রঙের একটি জাম্প স্যুট কিনেছিলাম। পোশাকটি পরেছি হোটেলে থাকার একটি দৃশ্যে। সেটি পরে সমুদ্রের পাড়ে গিয়েছি, এমনকি কান্নাকাটির দৃশ্যও রয়েছে এই পোশাকে। এ ছাড়া আরেকটি কুর্তি পরেছিলাম গোলাপি রঙের। খুব স্টাইলিশ। এটাও আউটডোরে ব্যবহৃত হয়েছে।’

একনজরে

লং কুর্তি      : ১২টি

টি-শার্ট      : ৮টি

জিন্স প্যান্ট    : ৭টি

ট্রাউজার      : ৫টি

জাম্প স্যুট    : ২টি

ঘড়ি   : ৩টি

ব্রেসলেট      : ৮টি

কানের দুল    : ১২ জোড়া

গলার মালা : ৯টি

বুট    : ৩ জোড়া

স্নিকার্স : ৪ জোড়া

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা