kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

আমিন খানকে কাছে পেয়ে আবেগ আপ্লুত মাশরাফি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ মে, ২০১৯ ১৭:১৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আমিন খানকে কাছে পেয়ে আবেগ আপ্লুত মাশরাফি

চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার ফলে কিছু মানুষ পছন্দ করে, ভালোবাসে। মানুষের এই ভালোবাসাকে চাপ মনে না করে সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা কিংবা মেশার চেষ্টা করি। কখনো নিজেকে তারকা মনে করিনা। সাধারণ মানুষের মত জীবনযাপন আর পথের মানুষের কাছাকাছি থাকার দিক দিয়ে নিজেকে নিয়ে গর্ব করতাম। 

কিন্তু আমাদের সবার প্রিয় মাশরাফি ভাইয়ের সাথে আড্ডা দিলে নিজের কাজকে খুব সাধারণ মনে হয়। ভালো লাগে যখন শুনি এই মানুষটির দুরন্ত কৈশোরে আমার ছবির একটা ভাল জায়গা ছিল। সব মিলিয়ে সত্যি অসাধারণ একজন মানুষ তিনি। অনেক ভালোবাসা রইলো প্রিয় এই ভাইটির প্রতি।

সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে এমন কথাই লিখেছেন চিত্রনায়ক আমিন খান। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাশরাফির মিরপুরের অফিসে গিয়েছিলেন আমিন খান। সেখানে দুই অঙ্গনের এই দুই তারকার প্রথম দেখা হয়। আমিন খানকে পেয়ে নিজে এগিয়ে এসে কথা বলেন মাশরাফী। আমিন খান ক্যাপ্টেন মাশরাফীর ব্যবহারে মুগ্ধ হন। কুশল বিনিময় করতে গিয়ে আড্ডা চলে রাত ১২ টা পর্যন্ত।

আমিন খান বলেন, মাশরাফি এখন সংসদ সদস্য। সোমবার রাতে তার অফিসে প্রচুর লোক ছিল। যখন কথা বলছিলাম মনে হচ্ছিলো আমাদের চারপাশে কেউ নেই। আমাদের প্রথম দেখা হলেও আলাপ করতে গিয়ে এমন অবস্থা হয়েছে, মনে হয়েছে ছোটবেলা থেকে আমরা দুজন দুজনার পরিচিত। সে যে কতো আলাপ আমাদের, বলে শেষ করা যাবে না।

মাশরাফি বলেন, আমার সিনেমা দেখতেন নড়াইলের সিনেমা হলে গিয়ে। তখন ৭ টাকা দিয়ে টিকেট কেটে হলে গিয়ে আমার ছবি দেখতেন। সুপারি, ডাব, ডিম এসব বিক্রি করে আমার ছবি হলে এলেই দেখতে যেতেন। অনেকসময় এগুলো চুরি করে বিক্রি করতে গিয়ে ধরাও পড়েছেন। এতে করে কতবার মার খেয়েছেন মাশরাফী তার ঠিক নেই। তার বন্ধুরাও এসব দুরন্তপনায় সঙ্গে থাকতো।

মাশরাফির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সঙ্গ দিত তার এক মামাতো ভাই। গতকাল রাতে তাকেও ফোন করে আমার সঙ্গে আলাপ করিয়েছেন মাশরাফি। সে নাকি আমার আরও বড় ফ্যান! তার মতো একজন আন্তর্জাতিক তারকার কাছ থেকে এসব শুনে আমার ভেতরটা গর্বে ভরে উঠেছিল। যখন আলাপ করছিলাম মজা করে মাশরাফি বার বার বলছিলেন, আমিন ভাই টাকা ফেরত দেন। টাকা দিয়ে হলে গিয়ে আপনার কতো ছবি দেখেছি তার কোনো হিসেব নেই! 

কৈশোরে আপনার ছবি দেখার জন্য অনেক টাকা খরচ করেছি, সবগুলো টাকা ফেরত দেন। বার বার এটা বলছিলো আর মাশরাফি হাসছিল। এ জিনিসগুলো আমার এত ভালো লেগেছে বলে বোঝাতে পারবো না।


খবরটি ইউনিকোড থেকে বাংলা বিজয় ফন্টে কনভার্ট করা যাবে কালের কণ্ঠ Bangla Converter দিয়ে

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা