kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

পাকিস্তানের প্রতি পক্ষপাতিত্ব! কপিল শর্মা শো থেকে সিধু বাদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২০:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাকিস্তানের প্রতি পক্ষপাতিত্ব! কপিল শর্মা শো থেকে সিধু বাদ

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের পুলওয়ামায় এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় রিজার্ভ পুলিশের ৪৯ সদস্য নিহত হওয়ার সূত্রে সমালোচনার মুখে পড়েছেন সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার নবজ্যোত সিং সিধু। সামাজিক মাধ্যমে বলা যায় চারদিক থেকে ঘেরাও হয়ে পড়েছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার বিশেষায়িত বাহিনী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ)-এর গাড়ি বহরে অ্যামবুশ করে জঙ্গিরা ৪৯ জনকে হত্যার পর পুরো ভারত আক্রোশে ফুঁসে ওঠে। এ ঘটনায় পাকিস্তানকে সন্দেহ করে উত্তেজনাকর মন্তব্য-প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অনেকে। পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে জানা যায়, তখন পাঞ্জাব প্রদেশ সরকারের কংগ্রেস দলের মন্ত্রী নবজ্যোত সিং সিধু বলেন, গুটিকয়েক লোকের জন্য কি আপনারা পুরো দেশকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারেন? এটা একটি কাপুরষতাপূর্ণ হামলা এবং আমি এর নিন্দা জানাই... সব সময়েই হিংসাত্মক ঘটনার নিন্দা হওয়া উচিৎ আর যারা এটা ঘটিয়েছে তাদের অবশ্যই সাজা পাওয়া উচিৎ। 

প্রসঙ্গত, সিআরপিএফের অপারেশন আইজি জুলফিকার হাসান বলেছেন, জম্মু থেকে শ্রীনগর যাওয়ার পথে ৭০টি যানবাহন ছিল। এর মধ্যে একটিতে হামলা করা হয়। সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কাশ্মির পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। 

এদিকে, সিধুর বক্তব্যের ‘গুটিকয়েক লোকের জন্য কি আপনার পুরো দেশকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারেন’ অংশ নিয়ে ক্ষেপে উঠে বিরোধীরা। অনেকেই তাকে ক্ষমা চাইতে বলেন, অনেকে সনি চ্যানেলের কাছে দাবি করেন তাকে শো থেকে বাদ দিতে। 

এর জের ধরে সিধুকে সনি টিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস.কম-এর বরাতে জনসত্তা.কম জানায়, সিধুর বক্তব্য নিয়ে সনি চ্যানেল এবং তাদের ওই অনুষ্ঠানকেও লোকজন এই সূত্রে টেনে আনছে। যা অস্বস্তির  কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে সনি টিভির জন্য। তাই তারা কপিল শর্মা শো থেকে সিধুকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে এরই মধ্যে সিধুর স্থানে অর্চনা পূরন সিংকে নিয়ে কয়েকটি এপিসোড শ্যুট করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিবাদিত ঘটনার জন্য কোনো অনুষ্ঠান থেকে গুরুত্বপূর্ণ বা জনপ্রিয় কাউকে বাদ দেওয়ার বিষয় সনি চ্যানেলে আগেও ঘটেছে। গত বছর ইন্ডিয়ান আইডল-১০ থেকে সঙ্গীত পরিচালক অনু মালিককে বাদ দেওয়া হয়েছিল ‘মি টু’ ক্যাম্পেইনের কারণে। 

অনুর বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছিল। উড়িষ্যার সঙ্গীতশিল্পী সোনা মহাপাত্র ও যশরাজের নাতনি শ্বেতা পণ্ডিত অভিযোগ আনেন তার বিরুদ্ধে। এছাড়া একই অভিযোগ করেন দুই উঠতি গায়িকাও। 

অডিশনের জন্য নতুনদের ডেকে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বেশ কয়েক বছর আগে গায়িকা আলিশা চিনয়ও একই অভিযোগ করেছিলেন অনু মালিকের বিরুদ্ধে।   

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা