kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৯ জুলাই ২০২১। ১৮ জিলহজ ১৪৪২

কারিনাকে শহীদ কাপুরের কিসের ভয়?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ নভেম্বর, ২০১৫ ১৫:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কারিনাকে শহীদ কাপুরের কিসের ভয়?

সম্পর্কটা তাঁদের ভেঙে গেছে অনেক দিন আগেই! তার পর নবাববাড়ির বেগম হয়েছেন কারিনা কাপুর, নামের পরে বসেছে খান পদবী। শহীদ কাপুরও সদ্য সেরে ফেলেছেন বিয়ে! কিন্তু, এতকিছুর পরও কারিনাকে নিয়ে ভয় কাটছে না শহীদের!

কারিনাকে ইদানীং যতটা পারছেন এড়িয়ে চলছেন শহীদ। আমরা নই, এ কথা বলছে তাঁদের হাবভাব! দিওয়ালির আলোকোজ্জ্বল মুহূর্তে সব ভুলে গিয়ে যখন পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন সবাই, তখনও কারিনাকে দূরেই রাখলেন শহীদ! পাছে কারিনার মুখোমুখি হতে হয়, সেই ভয়ে স্ত্রী মীরাকে নিয়ে শিল্পা শেঠির বাড়িতে অন্য দরজা দিয়ে ঢুকলেন তিনি!

শিল্পা শেঠির বাড়ির দিওয়ালিতে এ বার আমন্ত্রণ ছিল শহীদ-মীরার! তেমনই, শিল্পাকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হয়েছিলেন সাইফ আর কারিনাও। শিল্পার বাড়িতে পৌঁছেই যখন শহীদ জানতে পারলেন কারিনা এসেছেন এবং চলেও যাচ্ছেন, তখনই স্ত্রীর সঙ্গে পিছনের দরজায় চলে গেলেন তিনি! যাতে বেরোবার মুখে দেখা না হয়ে যায়!

তা, কারিনাকে এতটা ভয় পাওয়ার কী আছে?

আসলে, বিয়ের খবরটা পেতেই কারিনা রীতিমতো একটা চাপ ফেলেছিলেন শহীদের ঘাড়ে! শহীদ যে প্রথমে তাঁকে নিমন্ত্রণ করেননি, মিডিয়াকে খোলাখুলি জানিয়ে দিয়েছিলেন সেই কথা! তার পর মুচকি হেসে বলেছিলেন, নিমন্ত্রণ করলে আমি কি আর যেতাম না! সব ভুলে নিশ্চয়ই শুভেচ্ছা জানিয়ে আসতাম নবদম্পতিকে!

কথাটা কানে যাওয়ার পর নড়ে-চড়ে বসতে বাধ্য হন হায়দার! ভাবতে থাকেন, কী করা উচিত! নিমন্ত্রণ করবেন প্রাক্তন প্রেমিকাকে, না কি করবেন না? শেষ পর্যন্ত আভিজাত্য বজায় রেখে একেবারে শেষ মুহূর্তে হলেও একটা কার্ড পাঠিয়ে দেন ঠিকই! কারিনা আসেননি, তবে উপহার পাঠিয়ে দিতেও ভোলেননি!

তার পর থেকেই কারিনাকে নিয়ে শহীদের ভয় কাটছে না! এক বার যখন মিডিয়াকে বেফাঁস কথা বলেছেন বেগম, তখন মীরার সামনেও কিছু বলতেই পারেন! বিশ্বাস কী!
সূত্র : আনন্দবাজার
 



সাতদিনের সেরা