kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্যানেল জয়ী

চেয়ারম্যান মন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম ও শামীমা আক্তার শিফা

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০১৯ ১৬:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মির্জাপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্যানেল জয়ী

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্যানেল বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে।

টানা অষ্টমবারের মতো এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে টানা তৃতীয়বারের মতো নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে মীর এনায়েত হোসেন মন্টু বিজয়ী হন। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম ও শামীমা আক্তার শিফা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নের ১২০টি ভোট কেন্দ্রে রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান ৩টি পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এতে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে মীর এনায়েত হোসেন মন্টু ৬৮ হাজার ৮৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ হায়দার খান মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৪২ হাজার ৩৩০ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্থানীয় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম তালা প্রতীক নিয়ে ৫১ হাজার ৭১৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জাপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম টিউবয়েল প্রতীক নিয়ে ৪০ হাজার ১৯৪ ভোট পান।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার শিফা কলস প্রতীক নিয়ে ৫১ হাজার ৩৭৬ ভোট পেয়ে পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয় এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা মহিলাদলের সভানেত্রী খালেদা সিদ্দিকী স্বপ্না ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৩৬ হাজার ৯০২ ভোট পেয়েছেন।

এদিকে চেয়ারম্যান পদে রুপা রায় চৌধুরী আনারস প্রতীক নিয়ে ৩৭২ ভোট ও লাল মিয়া আম প্রতীক নিয়ে ৪৮৪ ভোট পান। এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয় বলে মির্জাপুর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শামছুজ্জামান জানিয়েছেন।

রুপা রায় চৌধুরী গত ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হয়ে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বাঘ মার্কা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১৫৭ ভোট পেয়ে জামানত হারান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা