kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

বাবার প্রার্থীতা স্থগিতের ব্যাপারে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে বললেন ছেলে শহীদুল ইসলাম

আপিলে স্থগিত ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

২৮ মার্চ, ২০১৯ ২২:৫৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আপিলে স্থগিত ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠেয় ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচন পরিচালনা-২ এর উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠির ভিত্তিতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারুক মিয়া।

জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আবদুল মতিন সরকারের ছেলে শহীদুল ইসলাম দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের ময়মনসিংহ শাখা থেকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ২০১৬ সালের ৭ আগস্ট দুই কোটি টাকা ঋণ নেন। এ ঋণের জামিনদার হন তার বাবা আবদুল মতিন। গত বছরের ৭ অগাস্টের মধ্যে ঋণ পরিশোধের শর্ত থাকলেও তা পরিশোধ করা হয়নি ও যা সুদ-আসলে ২ কোটি ২৯ লাখ ৮১ হাজার ২৯৭ টাকা হয়েছে মর্মে উল্লেখ করে উচ্চ আদালতে ঋণ খেলাপির অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইকবাল হোসেন। পরে ইকবাল হোসেনের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শুনানির পর বুধবার পুত্রের ঋণ খেলাপির দায়ে বাবার আবদুল মতিন সরকারের প্রার্থিতা ও চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ।

বৃহস্পতিবার স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিন সরকার ফারমার্স ব্যাংকের বৈধ প্রত্যয়নপত্র উপস্থাপন করে আপিল করলে আদালত নির্বাচন কমিশনকে ত্রিশাল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন। হাইকোর্টের ওই আদেশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চেয়ারম্যানসহ সকল পদের নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ময়মনসিংহ জেলা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসে চিঠি প্রেরণ করেন।

উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারুক মিয়া জানান, সন্ধ্যায় নির্বাচন পরিচালনা-২ এর উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত ওই চিঠি এ বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাগণ বিজ্ঞপ্তি দেবেন। 

ঋণ খেলাপির ব্যাপারে আনারস প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মতিন সরকারের ছেলে শহীদুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকের মিথ্যা তথ্য আদালতে দিয়ে আমার বাবা আবদুল মতিন সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করেছে। আমার বাবার জনপ্রিয়তার কাছে হেরে যাওয়ায় ভয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এই মিথ্যের আশ্রয় নিয়েছে। এই ব্যাংকে আমার কোনো ধরনের ঋণ খেলাপি নেই। ২০ তারিখে মামলা দায়েরের পূর্বেই গ্রহণ করা ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে দাখিল করেছি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা