kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

ভোলাহাটে কেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি    

২৪ মার্চ, ২০১৯ ১৬:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভোলাহাটে কেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রগুলোর চারপাশে অবস্থান নিয়ে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধার সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভোটাররা। রবিবার দুপুরে ভোলাহাটের তিনটি ভোটকেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। 

রবিবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকেই ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ভোটারদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ আসতে থাকে। দুপুর ১২টার দিকে ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের রড়গাছী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এই দুটি কেন্দ্রের সামনে ও প্রবেশপথগুলোতে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা অবস্থান নিয়ে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন ১০/১২ জন ভোটার। এ ছাড়া একই উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্র থেকেও একই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফতেপুর গ্রামের রাকিবুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, আব্দুল হামিদসহ বেশ কয়েকজন ভোটার অভিযোগ করেন, সকাল ১০টার পর থেকে কাউকেই ভোটকেন্দ্রে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তারা বলছে ভোট শেষ হয়ে গেছে।  

ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আব্দুল শুকুর বলেন, কেন্দ্রের বাইরে কি হচ্ছে, তা তার জানা নেই। তবে কেন্দ্রের ভেতরে কোনো সমস্যা নেই। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ৬১৯টি ভোট পড়েছে বলে জানান তিনি। এই কেন্দ্রের মোট ভোটার ২৪৭৪ জন। 

এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দলদলী ইউনিয়নের ময়ামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে কে বা কারা ২টি ককটেল ছুড়ে মারে। তবে তা বিস্ফোরিত হয়নি। এতে ভোটারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। 

ভোলাহাট উপজেলার রিটানিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দেবেন্দ্র নাথ ওরাও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার কোনো অভিযোগ তিনি পাননি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার টি এম মোজাহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশের মোবাইল টিম কাজ করছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা