kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

সহজ পাঠ

বাংলা

[নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ের চতুর্থ পরিচ্ছেদে ব্যঞ্জন সন্ধি সম্পর্কে আলোচনা আছে]

২২ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যঞ্জন সন্ধি

স্বরে আর ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে আর ব্যঞ্জনে এবং ব্যঞ্জনে আর স্বরে মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি সমীভবনের নিয়মেই হয়ে থাকে। আর তা-ও মূলত কথারীতিতে সীমাবদ্ধ।

 

ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম

♦ প্রথম ধ্বনি অঘোষ এবং পরবর্তী ধ্বনি ঘোষ  হলে, দুটি মিলে ঘোষ ধ্বনি দ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ সন্ধিতে ঘোষ ধ্বনির পূর্ববর্তী অঘোষ ধ্বনিও ঘোষ হয়। যেমন—ছোট + দা = ছোড়দা।

♦ হলন্ত ‘র’ (বদ্ধ অক্ষরবিশিষ্ট) ধ্বনির পরে অন্য ব্যঞ্জন ধ্বনি থাকলে ‘র’ লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনি দ্বিত্ব হয়। যেমন—আর + না = আন্না।

♦ চ-বর্গীয় ধ্বনি আগে যদি ত-বর্গীয় ধ্বনি আসে তাহলে, ত-বর্গীয় ধ্বনি লোপ পায় এবং চ-বর্গীয় ধ্বনির দ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ ত-বর্গীয় ধ্বনি ও চ-বর্গীয় ধ্বনি পাশাপাশি এলে প্রথমটি লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনির দ্বিত্ব হয়। যেমন—বদ্ + জাত = বজ্জাত।

♦ ‘প’-এর পরে ‘চ’ এবং ‘স’-এর পর ‘ত’ এলে ‘চ’ ও ‘ত’ এর স্থলে ‘শ’ হয়। যেমন—পাঁচ + সিকা = পাঁশশিকা।

♦ হলন্ত ধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত  হলে স্বরের লোপ হয় না। যেমন—তিল + এক = তিলেক।

♦ স্বর ধ্বনির পরে ব্যঞ্জন ধ্বনি এলে স্বর ধ্বনিটি লুপ্ত হয়। যেমন—কাঁচা + কলা = কাঁচকলা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা