kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

জানা-অজানা

খাঁচায় মাছ চাষ

[ষষ্ঠ শ্রেণির কৃষি বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে খাঁচায় মাছ চাষের কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক   

২১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খাঁচায় মাছ চাষ

মুক্ত জলাশয়ে উপযুক্ত পরিবেশে প্রয়োজনীয় আকারের খাঁচা ঠিকঠাকভাবে স্থাপন করে মাছ চাষ করার পদ্ধতিই হলো খাঁচায় মাছ চাষ প্রযুক্তি। চীনে এই প্রযুক্তি বেশ জনপ্রিয়। জানা যায়, তারাই প্রথম ছোট খাঁচায় বেশি ঘনত্বে মাছ চাষ শুরু করে। তাইওয়ানেও এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হয়। সেখানে ৫০ থেকে ১০০ গ্রাম ওজনের তেলাপিয়া খাঁচায় চাষ করে ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রামের তেলাপিয়ায় পরিণত করা হয়। দেশটি ২০০৬ সালে ২০,০০০ মেট্রিক টন ফ্রোজেন তেলাপিয়া এবং ৩,১০০ মেট্রিক টন তেলাপিয়ার ফিলেট রপ্তানি করেছে। ইন্দোনেশিয়ার জাভা অঞ্চলের ‘সিরাতা’ থেকে প্রায় ৩০,০০০ খাঁচায় মাছ চাষ করা হয়। এ ছাড়া থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়ায়ও এর প্রচলন আছে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিককালে খাঁচায় মাছ চাষ শুরু হয়েছে। চাঁদপুর জেলার ডাকাতিয়া নদীতে থাইল্যান্ডের প্রযুক্তির অনুকরণে খাঁচায় মাছ চাষ শুরু হয়। ২০০২ সালে শুরু করে মাত্র ছয় বছরের ব্যবধানেই চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় মেঘনা নদীর রহমতখালী চ্যানেলে যথাক্রমে সাড়ে চার শ ও পাঁচ শ খাঁচায় তেলাপিয়ার চাষ করা হয়। এখান থেকে উৎপাদিত হচ্ছে বছরে ৭০০ মেট্রিক টন রপ্তানিযোগ্য তেলাপিয়া। চাঁদপুর জেলার ডাকাতিয়া নদীতে বাণিজ্যিকভাবে খাঁচায় মাছ চাষের এ অধ্যায় শুরু হয় বলে এখানকার ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন মডেলকে ‘ডাকাতিয়া মডেল’ নামে অভিহিত করা হয়।    

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা