kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

জানা-অজানা

তাঁতি

[ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে তাঁতির কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক   

১৪ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



তাঁতি

তাঁতযন্ত্রের সাহায্যে যাঁরা সুতি বস্ত্র বুনেন তাঁরাই তাঁতি। চর্যাপদে তাঁতিদের সম্পর্কে বর্ণনা আছে। আগে হিন্দুদের বর্ণপ্রথার মধ্যে তাঁতি সম্প্রদায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ পর্যন্ত তারা পরিচিত ছিল আশ্বিনী তাঁতি নামে। পশ্চিমবঙ্গের আশ্বিনী তাঁতিরা দাবি করেন, তাঁরাই আসল তাঁতি। অন্যরা তাঁদের উপগোত্র। ১৯২০ সালের প্রথমার্ধে এক দল তাঁতি পূর্ববঙ্গে এসে বসবাস শুরু করেন। এরা দাবি করেন নিজেদের বাংলার আসল তাঁতি হিসেবে। আগে তাঁতবস্ত্র তৈরি করার জন্য চরকা বা সুতাকাটার টাকু ব্যবহার করা হতো। এখন মেশিনে সুতা তৈরি করা হচ্ছে। ফলে চরকা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যেই তাঁতি রয়েছে। এদের বেশির ভাগ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে। তারা গ্রামের যে অঞ্চলে বসবাস করে তা তাঁতিপাড়া নামে পরিচিত। এখনো দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বয়নকার্য চলছে। এর মধ্যে নরসিংদী, রায়পুরা, ডেমরা, টাঙ্গাইল, শাহজাদপুর, বেড়া, কুমারখালী, রুহিতপুর, বাবুরহাট, গৌরনদী ও নাসিরনগর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা