kalerkantho

বুধবার। ১৯ জুন ২০১৯। ৫ আষাঢ় ১৪২৬। ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

জানা-অজানা

শখের হাঁড়ি

ষষ্ঠ শ্রেণির চারুপাঠ বইয়ে শখের হাঁড়ির কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক   

১১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



শখের হাঁড়ি

রং দিয়ে নকশা আঁকা এক ধরনের পাত্র হচ্ছে শখের হাঁড়ি। বিভিন্ন উৎসব ও পালা-পার্বণের সময় শৌখিন কাজে এ হাঁড়ি ব্যবহৃত হয় বলে এমন নাম রাখা হয়েছে। ১৪০৬ খ্রিস্টাব্দে চীনা পর্যটক মা-হুয়ানের ভ্রমণসাহিত্যে প্রথম শখের হাঁড়ির উল্লেখ পাওয়া যায়। এখনো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কুমাররা এ হাঁড়ি তৈরি করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো রাজশাহীর চিত্রিত হাঁড়ি। শখের হাঁড়ি আকার-আকৃতির দিক থেকে সাধারণ হাঁড়ির মতোই। পর্থক্য যা গায়ে। এর গায়ে উজ্জ্বল রঙে দৃষ্টিনন্দন চিত্র আঁকা হয়। দৃশ্যমান করা হয়—ফুল, লতা-পাতা, পাখি, মাছসহ নানা কিছু। আগে শখের হাঁড়ি খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ ও পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হতো। ঘরের চালে পাটের তৈরি শিকায় ঝুলিয়ে রাখা হতো এ হাঁড়ি। তাতে রাখা হতো বিভিন্ন ধরনের খাবার। বিয়ে ও আচার-অনুষ্ঠানে মিষ্টি, পিঠাসহ শখের হাঁড়ি আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে উপহার হিসেবে পাঠানো হতো। উৎসব, পালা-পার্বণ-পূজা ও গ্রামীণ মেলাগুলোতে শখের হাঁড়ি দেখা যায়।   

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা