kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

জানা-অজানা

মোংলা বন্দর

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে মোংলা বন্দরের কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোংলা বন্দর

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলা। সবচেয়ে বড় বন্দর চট্টগ্রামের ওপর চাপ বেড়ে যাওয়ায় ১৯৫০ সালে একটি ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ (The City of Lyons) পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙর করে। সূচনা হয় মোংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার। ১৯৫১ সালে চালনায় এ বন্দর স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বন্দরটির কার্যক্রম চলে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত। পরে স্যার ক্লাইভ অ্যাংনিস পশুর ও শিবসা নদী জরিপ করে বন্দরটি চালনা থেকে সরিয়ে মোংলায় স্থানান্তরের প্রস্তাব করেন। কারণ তখন মোংলা নদীর নাব্যতা ছিল বেশি। ১৯৫৪ সালে বন্দরটি মোংলায় নিয়ে আসা হয়। মোংলা নদীর তীরে বন্দরটি স্থাপিত হওয়ায় এ বন্দরের নাম হয় ‘মোংলা বন্দর’। ১৯৮৭ সালে নাম পরিবর্তন করে ‘মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’ রাখা হয়। এই বন্দরে ১১টি জেটি, পণ্য বোঝাই ও খালাসের জন্য ৭টি শেড এবং ৮টি ওয়্যারহাউস রয়েছে। ভাসমান নোঙর স্থান আছে ১২টি। ২০১৫-১৬ সালে ৬৩৬টি জাহাজ এই বন্দরে নোঙর করে। বিশ্বের প্রায় সব প্রধান বন্দরের সঙ্গে এই বন্দরের সংযোগ রয়েছে। পণ্য খালাসের জন্য ২২৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা জাহাজ বন্দরে প্রবেশ করতে পারে। বর্তমানে বন্দরটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে।  

মন্তব্য