kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

জানা-অজানা

মাথাভাঙা

[নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে মাথাভাঙা নদীর কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক   

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাথাভাঙা

পদ্মার দ্বিতীয় বৃহত্তম শাখা নদী মাথাভাঙা। জলাঙ্গি নদীর উৎপত্তিস্থলের প্রায় ১৭ কিলোমিটার ভাটিতে এর উৎপত্তি। আগে নদীটি খুব স্রোতস্বিনী ছিল। তখন বহু জনপদ গ্রাস করেছে এই নদী, তাই নাম দেওয়া হয়েছে মাথাভাঙা। মতান্তরে উৎমুখে মূল নদী পদ্মার সঙ্গে সংযোগ নষ্ট হয়ে যাওয়া অর্থাৎ মাথা বা মুখ ভেঙে যাওয়ায় এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। একসময় নদীটির দুই তীরে অসংখ্য হাবেলি বা নীলের বাজার গড়ে উঠেছিল। ফলে এ নদী হাবেলি বা হাউলি নামেও পরিচিত। নদীটি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার, প্রস্থ ২৯ মিটার এবং নদী অববাহিকার আয়তন ৫০০ বর্গকিলোমিটার। এই নদীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—তীর উপচে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বন্যা হয় না। বিভিন্ন সময় মাথাভাঙা ভরাট হয়ে যাওয়ার ফলে এর সংস্কারের প্রয়োজন হয়েছে। ১৭৭১ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি তাদের ব্যবসার সুবিধার জন্য মি. রেনেলকে নদী জরিপের কাজে নিযুক্ত করেন। জরিপ শেষে এ নদী সংস্কার করে নৌবাণিজ্যের উপযোগী করে তোলা হয়। এ সময় চুয়াডাঙ্গার বন্দরভিটা ও দামুড়হুদার সুবলপুরের বিশাল বাঁক সোজা করা হয়। মাথাভাঙার উপনদীগুলো হলো—চিত্রা, নবগঙ্গা, ভৈরব। এই নদীটির সঙ্গে এ অঞ্চলের জনসাধারণের জীবনযাত্রা অতপ্রোতভাবে জড়িত।  

 

 

মন্তব্য