kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

জানা-অজানা

অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র

[পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক বিজ্ঞান বইয়ে ‘অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র’র কথা উল্লেখ আছে]

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র

অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র আগুন নেভানো বা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি একটি মজবুত মেটাল সিলিন্ডার, যার ভেতর পানি বা অদাহ্য অন্য কোনো পদার্থ যেমন—তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড, উচ্চ চাপে সংরক্ষিত থাকে। যখন লিভার চেপে সিলিন্ডারের ভাল্ব খোলা হয়, তখন ভেতরে রক্ষিত তরল অ্যারোসলের মতো সজোরে বাইরে বেরিয়ে আসে। যন্ত্র ব্যবহার করার সময় সেফটি পিনটি টান দিয়ে খুলে নিতে হয়। তারপর অপারেটিং লিভার নিচের দিকে চাপ দিলেই নজল দিয়ে বেরিয়ে আসে গ্যাস অথবা ফোম। গ্যাস নির্গমণ পাইপ ঝাড়ু দেওয়ার মতো ডানে-বাঁয়ে নাড়াতে হয়, যাতে করে চারপাশ থেকে বাষ্প উড়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। কোনো কোনো নির্বাপক যন্ত্রের মুখে চাপ নির্দেশক মিটার থাকে।

আগুনের ধরনভেদে চার ধরনের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র পাওয়া যায়।

ক্লাস এ :

এ ধরনের নির্বাপক যন্ত্র কাঠ, বাঁশ, কাগজ, প্লাস্টিক ইত্যাদি পদার্থের আগুন নেভাতে পারে এবং এ ধরনের যন্ত্রে নির্বাপক উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয় পানি। সিলিন্ডারের গায়ে পানি ধারণক্ষমতা ও কতটুকু আগুন নেভাতে সক্ষম তা উল্লেখ থাকে।

ক্লাস বি :

এ ধরনের নির্বাপক যন্ত্র পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন, গ্রিজ ইত্যাদি পদার্থের আগুন নেভাতে পারে। সিলিন্ডারের গায়ে কত বর্গফুট আগুন নেভাতে সক্ষম, তা উল্লেখ থাকে।

ক্লাস সি :

এ ধরনের নির্বাপক যন্ত্র বৈদ্যুতিক আগুন নেভাতে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের যন্ত্রের গায়ে কোনো রেটিং থাকে না।

ক্লাস ডি :

এ ধরনের নির্বাপক যন্ত্র রাসায়নিক পরীক্ষাগারে দাহ্য ধাতুর (যেমন : ম্যাগনে-সিয়াম, টাইটানিয়াম, পটাশিয়াম, সোডিয়াম) আগুন নেভাতে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের যন্ত্রের গায়েও কোনো রেটিং থাকে না এবং এ ধরনের যন্ত্র শুধু ক্লাস ডি আগুনের জন্যই তৈরি, অন্য কোনো আগুনে এ যন্ত্র ব্যবহার করা যায় না।

ইন্দ্রজি মণ্ডল

মন্তব্য