kalerkantho

সোমবার । ২০ মে ২০১৯। ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৪ রমজান ১৪৪০

শুরুতে হাসো

৩১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শুরুতে হাসো

♦   জিশান : কী রে পিন্টু, তোদের বাসা থেকে গতকাল মিউমিউ শব্দ পাচ্ছিলাম। তুই তো বললি বিড়াল তোর খুব অপছন্দ।

     পিন্টু : আরে ইয়ে মানে... ওটা আমাদের কুকুর। ও একটু বিদেশি ভাষা শেখার চেষ্টা করছিল।

 

♦    পিন্টু : আমার মাথায় অসুখ হয়েছে রে জিশান। উল্টাপাল্টা দেখছি শুধু।

     জিশান বড় বড় চোখ করে পল্টুর দিকে তাকাল।

     জিশান : বলিস কী! তা ডাক্তার তোকে দেখেনি?

     পিন্টু : না, তবে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি, একটা শিম্পাঞ্জি আমার দিকে তাকিয়ে আছে।

 

♦    মিনি : আমার চকোলেটটা খুঁজে পাচ্ছি না, বিন্তি তুই ওটা দেখেছিস?

     বিন্তি : আহা রে! ভ্যানিলা আর স্ট্রবেরির মিক্সড স্বাদের চকোলেটটা... ভেতরে আবার ক্রিমও ছিল... কে খেয়ে ফেলল রে!

 

♦    পিন্টু : আমি ভবিষ্যত্ বলতে পারি। আজ বার্সেলোনা আর জুভেন্টাসের খেলা শুরুর আগেই বলে দিতে পারব স্কোর কত হবে।

     জিশান : বলিস কী! কত হবে?

     পিন্টু : খেলা শুরুর আগে স্কোর ০-০-ই থাকবে।

 

♦   রান্নার শিক্ষক : পিন্টু, এবার বলো পিত্জায় সবার শেষে কোন জিনিসটা বসাতে হবে?

     পিন্টু : আমার দাঁত! আমার দাঁত!

 

♦    পিন্টুর দাদি ভুলোমনা। আর এ নিয়ে পিন্টুকেই বেশি ডাকাডাকি করেন তিনি। পিন্টু অনেক চেষ্টা করে দাদির এ সমস্যা সারাতে।

     দাদি : পিন্টু আমার জিনিসটা পাচ্ছি না।

     পিন্টু : কোন জিনিস? নাম না বললে কী করে খুঁজব?

     দাদি : আরে ওই যে... গোল গোল।

     পিন্টু বুঝতে পারল দাদি তাঁর চশমার কথা বলছেন।

     পিন্টু : দাদি তুমি মনে করার চেষ্টা করো। দুটি গোল কাচ থাকে ওই জিনিসে। জিনিসটা চোখে পরে। আর ওটা চোখে পরলে তুমি পড়তে পারবে। এবার বলো জিনিসটার নাম কী?

     দাদি : মনে পড়ছে না তো!

     পিন্টু : ওহ হো! দাদি ওটা হলো চশমা! চশমা! মনে থাকবে তো?

     দাদি : ‘মনে থাকবে! যা যা!’ বলে গজগজ করতে করতে চলে গেলেন।

     একটু পর দাদি তাঁর রুম থেকে চিত্কার করে উঠলেন, ‘চশমা! ও চশমা! আমার পিন্টুটাকে খুঁজে পাচ্ছি না। কোথায় আছে দেখ তো।’

 

♦    একদিন এক রেস্তোরাঁয় এলো একটা ছাগল। ম্যানেজারকে গিয়ে বলল, নানরুটি কত করে?

     ছাগলের মুখে অর্ডার কথা শুনে ম্যানেজার তো অবাক। তবে ব্যবসার খাতিরে কিছু বলল না। জানতে চাইল, ‘রেগুলার নান, নাকি বাটার নান?’

     ‘রেগুলারটা হলেই হবে।’

     ম্যানেজার ভাবল, ব্যাটা যেহেতু ছাগল, একটু বেশি করেই চাই।

     ‘প্রতি পিস ১০০ টাকা করে।’

     ছাগলটা তার মুখের ভেতর থেকে একটা এক শ টাকার নোট বের করে ম্যানেজারের দিকে বাড়িয়ে ধরল। ম্যানেজার টাকা পেয়ে মহাখুশি। নানরুটি নিয়ে চলে যাওয়ার সময় ম্যানেজার বলেই ফেলল, ‘রেস্তোরাঁয় সাধারণত কথা বলা ছাগলরা আসে না। খুবই দুর্লভ ব্যাপার।’

     কথাটা শুনে ফেলল ছাগলটা। ঘাড় বাঁকিয়ে সে-ও জবাব দিল, ‘যে রেস্তোরাঁয় নানরুটি এক শ টাকা করে, সেখানে না আসারই কথা।’

সংগ্রহ : ফারহান নাসের

 

 

মন্তব্য