kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

প্রযুক্তি

বাস্তবের ডা. অক্টোপাস!

৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাস্তবের ডা. অক্টোপাস!

স্পাইডারম্যানের ডা. অক্টোপাসের কথা মনে আছে? নিজের তো দুটো হাত আছেই, উল্টো অক্টোপাসের মতো আরো চার-পাঁচটা ধাতব শুঁড় লাগিয়ে স্পাইডারম্যানকে কী নাস্তানাবুদই না করল। ঠিক মার্ভেল কমিকসের সেই ভিলেনের মতো করেই ডা. অক্টোপাস স্যুট বানিয়েছে আমেরিকান টিনএজার আরিস্টো মিহান।

কাজটা করতে খরচ হয়েছে কয়েক লাখ ডলার। মিহানের অবশ্য টাকার অভাব নেই। কারণ অনেক অনেক আগে দাদিমার দেওয়া ১০০০ ডলার বিনিয়োগ করেছিল ভার্চুয়াল কারেন্সিতে। এখন যার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ডলার তথা প্রায় ২৫ কোটি টাকা। আর এ টাকার বেশির ভাগই মিহান খরচ করে চলেছে নানা ধরনের রোবটিক যন্ত্রপাতি বানানোর কাজে। এ কারণে মিহানকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে নাসাও।

মিহান নিজেও টুকটাক কারিগরিবিদ্যা জানে। তবে এ কাজটা একা করা সম্ভব নয়। তাই ডা. অক্টোপাস স্যুটটা বানাতে নিয়োগ দেয় একদল নামকরা ইঞ্জিনিয়ার। তাঁদের দলনেতা হলেন ফিনম্যান। তিনি ও তাঁর দল মিলে সবার আগে একটি কাস্টমাইজ থ্রিডি প্রিন্টার দিয়ে অক্টোপাসের শুঁড়গুলো বানান। মিহানকে যেহেতু এগুলো বয়ে বেড়াতে হবে, তাই ফাইবার দিয়ে বেশ হালকা করেই বানানো হয় হাতগুলো। পুরো স্যুটটার ওজন হয়েছে ছয় কেজির কিছু বেশি।

ফিনফ্যান ও তাঁর দলের সদস্যরা এটা বানাতে চারটি কৃত্রিম শুঁড় পেছনের অংশে জুড়ে দিয়েছেন একটি মাইক্রোকন্ট্রোলারের সঙ্গে। মোটরগুলো চালায় চার ব্যাটারির লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি।

কিন্তু কী করতে পারবে আরিস্টোর এই কৃত্রিম হাতগুলো? নির্মাতাদের মতে, পরীক্ষামূলক সংস্করণ হিসেবে হাতগুলো যে আপাতত বেশ খানিকটা ঘুরতে ও শূন্যে স্থির হয়ে থাকতে পারছে, সেটাই অনেক বড় অর্জন। দুই হাতে দুটি কন্ট্রোলারের সাহায্যে কৃত্রিম হাতগুলো সেদিকে খুশি সেদিকে বাঁকানোও যাচ্ছে। হুট করে দেখে মনে হবে, এগুলো বুঝি মিহানেরই হাত। আর তাই মিহান এখন এ স্যুট পরে অবলীলায় ভড়কে দিতে পারছে তার সহপাঠীদের। স্কুলের কমিকন উৎসবগুলোতেও তার ডা. অক্টোপাস স্যুট কিন্তু দারুণ হিট।

          —ফারহান নাসের

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা