kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

কী লিখলে?

হাসির রহস্য

৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাসির রহস্য

আমরা তিন বন্ধু। আমি, অনিক আর রুবেল। ক্লাস ফাঁকি দেওয়ার জন্য ফন্দি-ফিকির না করলে ঘুম হয় না আমার আর অনিকের। রুবেল আবার একটু পড়ুয়া টাইপের। ফাঁকিটাকির মধ্যে নেই। তবে বন্ধুত্বের টানও এড়াতে পারে না। একদিন ক্লাস চলার সময় ঠিক করলাম, আজ প্রিজন ব্রেক হবে। মানে পালাতে হবে ক্লাস ছেড়ে। বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে একে একে তিনজন বের হয়ে গেলাম। আরেক বন্ধু ফারুককে ইশারায় জানিয়ে দিলাম, আমাদের ব্যাগগুলো যেন দেখেশুনে রাখে। এদিকে স্কুল ভবনের দেয়ালের কাজ চলছিল। মেইন গেট দিয়ে বের হওয়া অসম্ভব। দেয়ালের পাশেই দেখলাম একটা ফোকরের মতো আছে। এদিকে অনিকটা আবার মোটাসোটা। ফাঁক দিয়ে শরীর ঢুকবে না। দেয়াল টপকাতেই হলো তাকে। আমি আলগোছে ফাঁক দিয়ে নিজেকে বের করে নিলাম। শ্বাস নিলাম মুক্ত বিহঙ্গের মতো। পিছু পিছু বের হলো রুবেলও। বের হয়েই ফিক ফিক হাসি। মেধাবীরা ক্লাস ছেড়ে পালালে বুঝি এভাবেই হাসে! কিন্তু অনিকও হাসছে। হাসুক। আনন্দের সময় হাসা ভালো। যা-ই হোক, তিনজন সারা দিন পইপই করে ঘুরলাম। এটা-ওটা খেলাম। আমাদের ফুর্তি দেখে আরো অনেকেই দেখি হাসছে। আজ বিশ্ব হাসি দিবস নাকি! বিকেলের দিকে ফিরে এলাম বাসায়। কাপড় ছাড়তেই বেরিয়ে এলো হাসির রহস্য। দেয়ালের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসার সময় আমার প্যান্টের পেছনের দিকটা বেয়াড়ারকমভাবে ছিঁড়ে গিয়েছিল, টেরই পাইনি! বদের হাড্ডি দুটি আমাকে সেটি একবারও বলল না!

          —তানজিদ হোসেন, মানিকগঞ্জ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা