kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা

তামাক কোম্পানির আগ্রাসী বিজ্ঞাপণ প্রচার বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মার্চ, ২০১৯ ২০:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তামাক কোম্পানির আগ্রাসী বিজ্ঞাপণ প্রচার বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ

রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দীর্ঘ মেয়াদে তামাকের ভোক্তা তৈরিতে তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টি আকর্ষণ ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘণ করে তামাকজাত পণ্যের আগ্রাসী প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে প্রচেষ্টা অব্যহত রাখলেও তামাক কোম্পানিগুলো আইন লঙ্ঘণ করে জনগণকে তামাকজাত দ্রব্য সেবনে উদ্বুদ্ধ করে চলেছে। ‘তামাকমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ওই সকল বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চেীধুরী সম্মেলন কক্ষে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট এর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সুপারিশ করা হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ‘তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধে একটি সমীক্ষা’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেন অর্ক ফাউন্ডেশনের রিসার্চ এসোসিয়েট তারানা ফেরদৌস। ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট’র নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, জাতীয় যক্ষা নিরোধ সমিতি’র সভাপতি মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল’র সমন্বয়কারী মো. খলিলুর রহমান, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান ও তামাক বিরোধী জোট’র উপদেষ্ঠা আবু নাসের খান, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক, ভাইটাল স্ট্রাটেজিস বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রামস্ মো. শফিকুল ইসলাম, দি ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক এড. সৈয়দ মাহবুবুল আলম ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক সৈয়দা অনন্যা রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন রয়েছে। আইনটি বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী সংস্থাগুলোকে তামাক নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম গতিশীল করতে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে তামাক নিয়ন্ত্রণে আমাদের অর্জন আরো বাড়বে। এক্ষেত্রে জাতীয় ও মাঠ পর্যায়ে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে গৃহীত সুপারিশে তামাক কোম্পানীতে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও বিএটিবি’র পরিচালনা পর্ষদে সরকারী প্রতিনিধিত্ব প্রত্যাহার, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে সরকারী কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের জানার পরিধি বাড়ানো, ধূমপানমুক্ত সাইনসহ আইনের জরুরী ধারার শাস্তিসমূহ উল্লেখপূর্বক প্রচার ও জনসম্মুখে প্রচার করা, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে কর্তৃত্বপ্রাপ্তদের দক্ষতা বৃদ্ধি, জেলা/উপজেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্স কমিটি সক্রিয় করা, আইন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা, তামাক বিপণণে লাইসেন্সিং বাধ্যতামূলক করা, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল’র লোকবল বৃদ্ধি এবং প্রকাশনা ও বিলবোর্ডে প্রচারের মাধ্যমে তামাক বিরোধী সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিসহ তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা