kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

রসের দইয়ে মেয়াদের তারিখ দেওয়া হচ্ছে দেরিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যাত্রাবাড়ী ভাঙা প্রেস এলাকায় রস মিষ্টির কারখানা। ২১ মে সকালবেলা এই কারখানায় দেখা গেল মেঝের মধ্যে সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে শত শত দইয়ের বাটি। প্রতিটি প্লাস্টিকের বাটির মধ্যেই এক কেজি ওজনের দই। তবে দইয়ের বাটি পরীক্ষা করতেই ধরা পড়ল প্রতিষ্ঠানটির প্রতারণা।

২১ তারিখেই দইগুলো তৈরি হলেও প্রতিটি বাটির গায়ে উৎপাদনের তারিখ দেওয়া হয়েছে পরের দিনের অর্থাৎ ২২ তারিখ। আর মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেওয়া হয়েছে ২৫ মে। অর্থাৎ উৎপাদন আগে হলেও পরের দিনের তারিখ বসিয়ে গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করার প্রমাণ পায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দেখতে পান, মিষ্টির মধ্যে মাছি ভনভন করছে। রসের ঘিয়ের ক্রিম খাচ্ছে ফড়িং। কারখানার একটি অংশে বেশ অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখা যায়। এ পরিবেশের মধ্যে খালি মেঝেতে দই মিষ্টি তৈরি করে খোলা অবস্থায় রেখে দেওয়া হয়েছে। এসব অপরাধের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার। তিনি বলেন, ‘নামিদামি ব্র্যান্ডের কারখানার অবস্থা যদি খারাপ হয় তবে গ্রাহক আস্থা রাখবে কার ওপর। আমরা তাদের সতর্ক করেছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ পেলে বড় শাস্তির আওতায় আনা হবে।’

অন্যদিকে কোনাপাড়ায় কুমিল্লা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারকে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরি করতে দেখা গেছে। নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণের অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কারখানাটিকে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেন এই পরিবেশে পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে তার যথাযথ ব্যাখ্যা ও পরিবেশ উন্নয়নের যথাযথ প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরই তাদের পুনরায় ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে আরো একটি কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে অধিদপ্তরের দলটি। অবৈধ প্রক্রিয়ায় মশার কয়েল উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণের কারণে ‘এটাক কিং’ নামের কারখানাটিকে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা