kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

হাল ফ্যাশনের জন্য আজিজ মার্কেট

নওশাদ জামিল   

২২ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হাল ফ্যাশনের জন্য আজিজ মার্কেট

ছেলেদের পাঞ্জাবি হোক কিংবা মেয়েদের থ্রি পিস—তারুণ্য খোঁজে হাল ফ্যাশনের পোশাক। তারুণ্যের এই ভাবনা মাথায় রেখে প্রস্তুত রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট। ছবি : কালের কণ্ঠ

হাল ফ্যাশনের নিত্যনতুন পোশাকে নজর থাকে তরুণ-তরুণীদের। ছেলেদের পাঞ্জাবি হোক কিংবা মেয়েদের থ্রি পিস—তারুণ্য খোঁজে হাল ফ্যাশনের পোশাক। তারুণ্যের এই ভাবনা মাথায় রেখে প্রস্তুত রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট। ঈদ বাজারে এখানকার ফ্যাশন হাউসগুলো তৈরি করেছে নানা ধরনের পোশাক। আর তরুণ-তরুণীরাও আগেভাগে পছন্দের পোশাকটি বেছে নিতে ছুটছে এই মার্কেটের দিকে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ও সন্ধ্যায় ঘুরে এই মার্কেটের প্রতিটি ফ্যাশন হাউসে তরুণ-তরুণীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

দেড় দশক আগেও কেবল বই কেনাবেচার স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল আজিজ সুপার মার্কেট। সময়ের পরিক্রমায় বইয়ের কিছু দোকান টিকে থাকলেও পুরো মার্কেট হয়ে উঠেছে দেশীয় পোশাকের সম্ভার। তিনতলা পর্যন্ত তিন শতাধিক দোকান। প্রায় সব দোকানে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা উপাদান ব্যবহার করে সন্নিবেশ করা হয়েছে নানা পোশাক। বিক্রিও হচ্ছে দেদার।

বরাবরের মতো এবারও ঈদ বাজারে দেশীয় কাপড় ও দেশজ ঐতিহ্যনির্ভর পোশাক নিয়ে এসেছে আজিজের বুটিক শপগুলো। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শোরুমগুলো দেশি খাদি ও তাঁতনির্ভর সুতি কাপড় দিয়ে সাজিয়েছে তাদের সম্ভার। আশপাশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, বদরুননেসা কলেজ, হোম ইকোনমিক্স কলেজের শিক্ষার্থীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার তরুণ-তরুণীরা নিত্যনতুন বাহারি কারুকাজের পোশাক খুঁজতে ছুটে আসছে এখানে। শিক্ষার্থীদের অনেকেই আগেভাগে বাড়ির পথ ধরবে। সে জন্য তারা এখন ভিড় জমাচ্ছে আজিজ মার্কেটে। দোকানিরা জানান, ভিড় বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে বিক্রিও।

বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসের কর্মকর্তারা বলেন, ফ্যাশন নিত্য পরিবর্তনশীল। মানুষ পরিবর্তন চায়। সেই ফতুয়া সেই পাঞ্জাবি আর কত! দেশীয় পণ্যকে প্রাধান্য দিয়ে এবং এর সঙ্গে পাশ্চাত্যের মিশেল ঘটিয়ে তৈরি করা হচ্ছে নানা ডিজাইনের পোশাক। নতুন ডিজাইন ও ফ্যাশনের পোশাক টানছে তারুণ্যকে।

পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট, মেয়েদের সালোয়ার-কামিজ, শাড়িসহ নানা পণ্যের পসরায় ভরা গোটা মার্কেট। এবারের ঈদ বাজারে ছেলেদের নানা ডিজাইনের পাঞ্জাবি এসেছে। সিল্কের পাশাপাশি রয়েছে সুতি, খাদি, সিল্ক ও তাঁতের কাপড়ের পাঞ্জাবি। এর মধ্যে সাদা সুতি পাঞ্জাবি ৮০০ থেকে ১২০০, রঙিন সুতি হাতের কাজ করা ৯০০ থেকে ১৩০০, সিল্কের এক্সক্লুসিভ পাঞ্জাবি ১২০০ থেকে চার হাজার ও শর্ট পাঞ্জাবি ৭০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গরমে আরামপ্রদ পোশাক হিসেবে অনেকের কাছেই পলো শার্ট পছন্দ। তরুণদের পাশাপাশি তরুণীরাও এতে বেশ আগ্রহী। তারুণ্যের কাছে ফতুয়া, টপস, স্লিভলেস, সালোয়ার-কামিজের পাশাপাশি পলো শার্ট অন্যরকম ফ্যাশনেবল পোশাক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ফ্যাশন হাউস সুইসুতার বিক্রয় কর্মকর্তা শবনম কবির বলেন, ‘আমরা ঈদ উপলক্ষে নতুন ডিজাইনের পাঞ্জাবি-পায়জামা ও টি-শার্ট এনেছি। আমাদের সব পোশাকের দর মধ্যবিত্তের নাগালে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা