kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের দুই ধারা নিয়ে বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের দুই ধারা নিয়ে বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলাসংক্রান্ত অধ্যাদেশে যুক্ত হওয়া নতুন দুটি ধারা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এ ধারা দুটির বিপক্ষে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতেই ধারা দুটি যুক্ত করা হয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা এর ফলে বাধার মুখে পড়বেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালে উচ্চ আদালত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা বিধিকে ‘দুর্বল ও সেকেলে’ হিসেবে উল্লেখ করে তা হালনাগাদের পরামর্শ দেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলাবিধিকে গত ৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাদেশ হিসেবে অনুমোদন দেয়। অনুমোদন পাওয়া এই অধ্যাদেশের ৫-এর (ঞ) নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনও ছাত্র/ছাত্রী অসত্য এবং তথ্য বিকৃত করে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কোন সংবাদ বা প্রতিবেদন স্থানীয়/জাতীয়/আন্তর্জাতিক প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক সংবাদ মাধ্যমে/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ/প্রচার করা বা উক্ত কাজে সহযোগিতা করতে পারবে না।’ ৫-এর (থ) নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনও ছাত্র/ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও ছাত্র/ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর উদ্দেশে টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ই-মেইল, ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনও অশ্লীল বার্তা বা অসৌজন্যমূলক বার্তা প্রেরণ অথবা উত্ত্যক্ত করবে না।’

অধ্যাদেশ মতে, ধারা দুটির ব্যত্যয় ঘটলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের চোখে ‘অসদাচরণ’ বলে গণ্য হবে। এ জন্য লঘু শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, সতর্কীকরণ এবং গুরু শাস্তি হিসেবে আজীবন বহিষ্কারসহ বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার ও পাঁচ হাজার টাকার বেশি যেকোনো পরিমাণ জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

অধ্যাদেশে এ দুটি ধারা নজরে আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এর সমালোচনা করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা