kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদ

শ্রেণিহীন ইফতারে হাজারো মুসল্লি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একসঙ্গে সারি বেঁধে বসেছে সব শ্রেণি-পেশার রোজাদার। ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, রিকশাচালক, শিক্ষক, উকিল, ছাত্র, পথচারী—সবাই অপেক্ষায়। মাগরিবের নামাজের আজান শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সবাই একসঙ্গে বসে শামিল হয় ইফতার পর্বে।

রাজধানীর গুলশান কেন্দ্রীয় (আজাদ মসজিদ) মসজিদে এমন চিত্র পবিত্র রমজান মাস শুরুর দিন থেকেই। চলবে রমজান মাসজুড়ে। শ্রেণি ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে বসে ইফতার সারে আগত মুসল্লিরা।

বাড্ডা লিংক রোড এলাকা থেকে আসা উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সেজান আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাস এলে এখানে এসে সবার সঙ্গে ইফতার করি। আজ (গতকাল রবিবার) মা কিছু খেজুর, আলুর চপ ও বেগুনি পাঠিয়েছেন। মসজিদ থেকে সরবরাহ করা ও বাসা থেকে আনা ইফতারসামগ্রী এখানে জমায়েত হওয়া মুসল্লিদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে খেলাম।’

জানা যায়, গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদ পরিচালনা কমিটি প্রতিবছর রমজান মাসজুড়ে ইফতারের আয়োজন করে থাকে। সবার জন্য উন্মুক্ত এই ইফতার পর্বে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই হাজার মুসল্লির সমাগম হয়। মানুষের দেওয়া অনুদান ও মসজিদের নিজস্ব তহবিল থেকে এই ইফতার পর্বের ব্যয়ভার বহন করা হয়। আছে এই আয়োজনের পরিধি ছোট থাকলেও কয়েক বছর ধরে তা ব্যাপক বিস্তৃতি পেয়েছে। ইফতারসামগ্রী বণ্টনরত এক মুসল্লি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এখানে একেক দিন একেক রকম ইফতারসামগ্রী থাকে। যোগ হয় একেক ধরনের আইটেম। আজ যেমন ইফতার পর্বে ছিল খিচুড়ি ও গরুর মাংস।’

গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদ পরিচালনা কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রতিদিন মানুষের ইফতারের জন্য আমরা যে খরচটা করি তা মসজিদের তহবিল, সাধারণ মানুষের অনুদান ও বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্নজনের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। মসজিদ পরিচালনা কমিটির তত্ত্বাবধানে এ কাজগুলো পরিচালিত হয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা