kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

কাকরাইল মসজিদে ইফতার

দেশি-বিদেশি সবাই যেখানে সমান

ওমর ফারুক   

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একদিকে বাংলাদেশি লোকজন। পাশেই বসেছেন বিদেশি লোকজন। সবার লাইনেই একই ধরনের ইফতারের আয়োজন। বাটিতে দেওয়া রয়েছে বুট, মুড়িসহ নানা আইটেম। ইফতারের আগে দেশি-বিদেশি সবাই লাইনে রাখা ইফতারের বাটি ঘিরে বসে যায়। কোনো শব্দ নেই। নেই হৈ-হুল্লোড়। শৃঙ্খলা মতো বসে সবাই দোয়ায় অংশ নেয়। আজান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সবাই ইফতার শুরু করে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইল মসজিদে ইফতারে দেখা গেছে এই চিত্র।

দুটি স্থানে ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়। কাকরাইল মসজিদের একাংশে বিদেশি ও মসজিদ-মাদরাসার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ইফতার করে। আর কাকরাইল মাদরাসার নিচতলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তাবলিগ জামায়াতে থাকা লোকজন ইফতার করে।

ইফতারের আগে মসজিদের বিদেশি মেহমানদের  ইফতার স্থানে গিয়ে দেখা যায় নিচ থেকেই বেশ নিরাপত্তার আয়োজন রয়েছে। সেখানে অনুমতি ছাড়া ঢোকার সুযোগ নেই। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. শেখ শওকত আলী জানান, রাশিয়া, খিরঘিজিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, চায়নাসহ বিভিন্ন দেশের ৮০-৯০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তারা কাকরাইল মাদরাসায় বিভিন্ন বিভাগে পড়াশোনা করে। অন্যদিকে তাবলিগ জামাতে ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে দুই-তিন দিন আগে এসেছে ১৫-২০ জন মেহমান। তারাও এখানে ইফতার করবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা গেল বিদেশি ছাত্র ও মেহমানরা এসে সারিবদ্ধ হয়ে ইফতারে অংশ নেয়। 

ইফতারের আধাঘণ্টা আগে বিদেশি ছাত্র ও মেহমানদের জন্য লাইন করে ইফতারের আয়োজন করতে দেখা যায়। দায়িত্বরত একজন জানালেন, আগে ইফতারের মান অনেক ভালো ছিল। বর্তমানে তাবলিগ জামায়াত দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে আর্থিক অবস্থাও ভালো যাচ্ছে না।

কাকরাইল মাদরাসার নিচতলায় ইফতারের তত্ত্বাবধানকারী মোহাম্মদ আলী জানান, প্রতিদিন কাকরাইল মসজিদে ৮০০-৯০০ লোক ইফতার করে। এখানে তাবলিগ জামায়াতের লোকজনই ইফতার করে থাকে। আশপাশের কিছু লোকও আসে ইফতার করতে। যারাই আসে সবাইকে ইফতার করানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা