kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

শ্রীনগরে এক যুগেও হয়নি রাস্তার কার্পেটিং!

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্রীনগরে এক যুগেও হয়নি রাস্তার কার্পেটিং!

শ্রীনগরের বিবন্দী-তন্তর বেহাল রাস্তা

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে এক যুগেও হয়নি একটি রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ। রাস্তাটি এলাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুটি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের লোকজন প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। অথচ উপজেলার বিবন্দী-তন্তর নামক রাস্তাটি মানুষের চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়লেও দেখার যেন কেউই নেই!

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুকুটিয়া ও তন্তর ইউনিয়নের বনগাঁও, বিবন্দী, টুনিয়ামান্দ্রা, ঝুলদী, বাগবাড়ী, পাঁচলদিয়া, মুসলিমপাড়া, রুসদী, পশ্চিম নওপাড়া, পুড়ারবাগ, উত্তরগাঁওসহ বিভিন্ন গ্রামবাসীর কাজকর্মে বিবন্দী-তন্তর নামক রাস্তাটিই একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম। দুর্ভোগের শিকার এলাকার মানুষ যাতায়াতের বিকল্প কোনো মাধ্যম না থাকায় স্থানীয়দের প্রতিদিন ওই বেহাল রাস্তা দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। এ ছাড়া রাস্তা ভালো না থাকায় এ অঞ্চলের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে তিন কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে রুসদী উচ্চ বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে। অসুস্থ রোগী নিয়ে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হয়। ওই রাস্তায় দুটি ব্রিজ রয়েছে। ব্রিজের দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে মরণফাঁদের সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিজের সংযোগস্থলে মাটি সরে গিয়ে বিশাল ঢালের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন দূরের কথা লোকজনকে ব্রিজে উঠতেই চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, এক যুগ আগে মাটি ভরাটের পর রাস্তায় ইট বিছানো হয়েছিল। ইট বিছানো অবস্থায় বেবি, রিকশা, প্রাইভেট কারসহ যেকোনো যানবাহন চলাচল করত। কিন্তু কয়েক বছর ধরে রাস্তার ইট উঠে গিয়ে এমনই বেহাল হয়েছে যে বাইসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থাও নেই। এ ছাড়া বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি জমে রাস্তাটি আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠে। এর আগে রাস্তাটি সংস্কারের কাজ একাধিকবার শুরু হলেও রহস্যজনক কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মান্নানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এর আগে রাস্তাটি সংস্কারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজে টালবাহনা শুরু করলে তাদের বাদ দেওয়া হয়। এবার রাস্তাটি কার্পেটিং কাজের অনুমোদন হয়েছে। ছয় মাসের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা