kalerkantho

সোমবার। ২৭ মে ২০১৯। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২১ রমজান ১৪৪০

ঢাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

বিচারহীনতার কারণে প্রতিনিয়ত ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। ধর্ষকরা আটক হলেও তাদের উপযুক্ত শাস্তি হচ্ছে না। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির কারণেই প্রতিনিয়ত ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য ঘটনা ঘটেই চলেছে। তাই ধর্ষকদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। গতকাল সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন ছাত্র-শিক্ষক’ ব্যানারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের সঞ্চালনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক কাবেরী গায়েন, অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিয়া রহমান, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক আখতার হোসেন খান প্রমুখ বক্তব্য দেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল।

অধ্যাপক সাদেকা হালিম বলেন, ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। এই ঘটনার বিচারে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকা প্রয়োজন। কারণ প্রত্যেকটা ঘটনায় জড়িতরা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী। তবে ধর্ষকের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। তার একমাত্র পরিচয় সে ধর্ষক, নিপীড়নকারী ও নির্যাতনকারী। সেই দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েই আমাদের দেখা উচিত। আমি মনে করি, নুসরাত হত্যার বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত।’ অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, ‘নুসরাতের ঘটনায় প্রমাণ হয় আমাদের সমাজ অসুস্থ হয়ে গিয়েছে। এত অসুস্থ যে শিক্ষক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেন। এটা সভ্য সমাজের লক্ষণ নয়। প্রশাসন যদি এই অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দেয় তাহলে আমরা আবার রাস্তায় দাঁড়াব। আমরা বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ।’

অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন বলেন, ‘তনু হত্যার পর সারা দেশ যেভাবে বিচারের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। মনে হয়েছিল কিছু একটা হবে। কিন্তু হয়নি। মিতু হত্যা হয়েছে তার কোনো বিচার হয়নি। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে আমরা বের হতে চাই।’

মন্তব্য