kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

জবি শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর ও ছিনতাই

কারাগারে প্রেরণ ৪

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জবি শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর ও ছিনতাই

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সূত্রাপুর থানার ওসি কে এম আশরাফ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ১৪ ব্যাচের সুব্রত পাল, পরিসংখ্যান বিভাগের ১৩ ব্যাচের অর্পণ শান্ত, দর্শন বিভাগের ১২ ব্যাচের সৈকত ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সুহাদ মজুমদার—এই চারজনকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে এই মামলায় গতকাল শনিবার বিকেলে একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের ১১ ব্যাচের তুহিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে রবিবার আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ১৪ ব্যাচের সুব্রত পাল তার পরিচিত একটি মেয়েকে মেসে নিয়ে আসে। পরে স্থানীয় কয়েকজন তাদের রুমে আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। তখন মেসের পরিচালক বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের নবম ব্যাচের কাজী ফারহান মহিব (মন্টি) পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে সুব্রতকে উদ্ধার করেন। কিন্তু সুব্রত মনে করে ফারহান এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজনকে জানিয়েছেন। পরদিন শুক্রবার সুব্রত ও তার কয়েকজন বড় ভাই মিলে ফারহানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের নির্মাণাধীন হলের পাঁচতলায় নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। পরে ফারহানের কাছে থাকা দুই হাজার এবং বিকাশের মাধ্যমে আরো আট হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেয়। পরে ফারহান তাদের নামে মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা করেন।  এ ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘পুলিশ আমাদের বিষয়টি জানিয়েছে। যদি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয় তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে তাগিদ দিয়েছি।’ এ বিষয়ে সূত্রাপুর থানার ওসি বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত সবাইকে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।’

মন্তব্য