kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

কাশ্মীরে নির্যাতন

জাতিসংঘের তদন্ত চায় মানবাধিকার গোষ্ঠী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে গত তিন দশকে ১০ হাজারেরও বেশি লোক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ‘অ্যাসোসিয়েশন অব পেরেন্টস অব ডিসঅ্যাপিয়ার্ড পারসনস’ ও ‘জম্মু-কাশ্মীর কোয়ালিশন অব সিভিল সোসাইটি’ নামের দুটি মানবাধিকার গোষ্ঠীর এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে এসব নিপীড়নের ঘটনা তদন্ত করার জন্য জাতিসংঘকে আহ্বান জানানো হয়েছে। 

‘নিপীড়ন : ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে সরকারের নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাশ্মীরে আধিপত্য বজায় রাখতে অনেক বছর ধরে নানা কৌশলে ভারত সেখানকার বেসামরিক মানুষকে নিপীড়ন করছে। ৪৩২টি কেস স্টাডির ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এসব কেস স্টাডিতে দেখা যায়, অন্তত ৪০ জন মারা গেছে নির্যাতনের কারণে। তাদের পানিতে ডুবিয়ে রাখা, রড ও চামড়ার বেল্ট দিয়ে মারধর, বৈদ্যুতিক শক দেওয়া থেকে শুরু করে আরো নানাভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।       

এ ব্যাপারে তাত্ক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারত সরকার। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের উচ্চপদস্থ এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, অভিযোগসংক্রান্ত কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর এ ব্যাপারে সরকার মুখ খুলবে।  

ওই দুই মানবাধিকার গোষ্ঠীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, গুয়ানতানামো বে ও ইরাকে আবু গারিবের মার্কিন কারাগারে নির্যাতনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কাশ্মীরে নির্যাতনের ঘটনা নানা কারণে আড়ালে থেকে গেছে। এর ভয়াবহতা সামনে আসছে না।

ভারত বরাবরই নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। সর্বশেষ চলতি বছরের মার্চে রিজওয়ান পণ্ডিত নামের এক স্কুল অধ্যক্ষ পুলিশের একটি বিশেষ দলের হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা যান। কিন্তু পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় মারা গেছেন। ২০১০ সালে আলোচিত ওয়েবসাইট উইকিলিকস জানিয়েছিল, ভারত অধ্যুষিত কাশ্মীরে ভারতের নিপীড়নের অনেক প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। সূত্র : এএফপি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা