kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

গডসে বিতর্ক প্রশমনের চেষ্টা

‘বাপুজিকে অপমান করায় সাধ্বীকে ক্ষমা করতে পারব না’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাথুরাম গডসেকে গোটা পৃথিবী মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী হিসেবে জানে। মহাত্মাকে হত্যার দায়ে ফাঁসি হয়েছিল নাথুরামের। সেই নাথুরাম গডসেকে নিয়ে বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞার মন্তব্যে ভারতজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাধ্বী বলেছিলেন, গডসে হচ্ছেন একজন দেশভক্ত। ‘তিনি দেশভক্ত ছিলেন, দেশভক্ত আছেন এবং দেশভক্তই থাকবেন।’ এমন অবস্থায় ‘ড্যামেজ কন্ট্রোলের’ চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। সাধ্বী প্রজ্ঞার অবস্থান বিজেপির দলীয় ‘অবস্থান’ নয় বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। এবার আরো একধাপ এগিয়ে সাধ্বী প্রজ্ঞাকে ‘কোনো দিনও ক্ষমা না করার’ কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিউজ ২৪ চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাপুকে অপমান করায় আমি কোনোদিন সাধ্বীকে ক্ষমা করতে পারব না।’

মোদির এই বার্তার আগেই অবশ্য ভোপালের বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনন্ত কুমার হেগড়ে এবং কর্ণাটকের বিজেপি সাংসদ নলিন কুমার কাতিলকে তলব করে তাঁদের কার্যত শোকজ করেন অমিত শাহ। তিন দিনের মধ্যে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সামনে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলেন তিনি। অমিত শাহ এও জানান, এসব মন্তব্যের সঙ্গে দলের কোনো যোগ নেই। অবশ্য, নাথুরাম গডসে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে ক্ষমাও চেয়েছেন সাধ্বী প্রজ্ঞা।

দক্ষিণী অভিনেতা তথা এমএনএম পার্টির নেতা কমল হাসানের ‘দেশের প্রথম সন্ত্রাসবাদী একজন হিন্দু—নাথুরাম গডসে’ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিতর্কিত ওই মন্তব্য করেছিলেন ভোপালের বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা। বলেছিলেন, ‘নাথুরাম গডসে দেশভক্ত ছিলেন, দেশভক্ত আছেন এবং দেশভক্তই থাকবেন।’ অন্য বিজেপি নেতারাও টুইটারে বা জনসভায় গান্ধীজির হত্যাকারী গডসেকে ‘দেশভক্ত’ আখ্যা দিতে উদ্যত হয়।

টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোদি  সাধ্বীকে প্রার্থী করার বিষয়ে  বলেন, যারা হিন্দুদের সন্ত্রাসবাদী বলে, যারা হিন্দু সভ্যতার সঙ্গে সন্ত্রাসের যোগ খুঁজে পায়, তাদের উত্তর দিতেই সাধ্বীকে প্রার্থী করা হয়েছিল।

সূত্র : এনডিটিভি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা