kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

ব্রেক্সিট ইস্যু

বিরোধীদের সঙ্গে টেরেসার সংলাপ ভেস্তে গেল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিরোধীদের সঙ্গে টেরেসার সংলাপ ভেস্তে গেল

ব্রেক্সিট নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে বিরোধী দল লেবার পার্টির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মের সংলাপ শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেল। সরকার পক্ষের ‘দুর্বলতা’ ও ‘অস্থিতিশীলতা’কে দায়ী করে সংলাপ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিরোধী নেতা জেরেমি করবিন। গতকাল শুক্রবার তিনি এক চিঠির মাধ্যমে মের কাছে এ বার্তা পৌঁছে দেন। এর আগে এ সংলাপকে ‘মারাত্মক ভুল’ পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন সদ্য সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যাভিন উইলিয়ামসন।

করবিন চিঠিতে লিখেছেন, সমঝোতায় পৌঁছার মতো কিছুই হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ নীতির প্রশ্নে দুই পক্ষের মধ্যে যথেষ্ট ফারাক আছে। যার ফলে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি আরো বলেছেন, ‘আপনার সরকারের মধ্যে যেভাবে দুর্বলতা ও অস্থিতিশীলতা ক্রমাগত বাড়ছে, তাতে আপনাদের সঙ্গে আমাদের আর সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব নয়।’

প্রধান বিরোধী দলের নেতা এও বলেছেন, ব্রেক্সিট নিয়ে মের চুক্তির বিরোধিতা পার্লামেন্টে তিনি অব্যাহত রাখবেন। অবশ্য ব্রেক্সিট নিয়ে অচলাবস্থা কাটাতে সরকার এগিয়ে এলে, সে প্রস্তাব তিনি সাবধানে বিবেচনা করবেন।

করবিন এ ঘোষণা এমন একসময়ে দিলেন, যার এক দিন আগেই প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে তাঁর সম্ভাব্য পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী মাসের শুরুতে তিনি পদত্যাগের দিনক্ষণ জানাবেন।

পার্লামেন্টে প্রস্তাবিত বেক্সিট চুক্তি তিনবার প্রত্যাখ্যানের পর বিরোধীদের সঙ্গে সমঝোতার আশায় ছয় সপ্তাহ ধরে আলোচনা করে মে সরকার। এরই মধ্যে ব্রিটেনে ফাইভজি সম্প্রসারণসংক্রান্ত গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগে প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যাভিনকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেন মে। এর পরপরই বিরোধীদের সঙ্গে সরকারের সংলাপ নিয়ে সরব হন গ্যাভিন।

সাউথ স্টাফোর্ডশায়ারের কনজারভেটিভ পার্টির এ এমপি বলেছিলেন, বেক্সিট ইস্যুতে লেবার পার্টির সঙ্গে আলোচনার কথা শুনতে খুবই সহজ ও যুক্তিসংগত মনে হতে পারে। কিন্তু কাজের কাজ আসলে কিছুই হবে না। যদি লেবার পার্টি সমঝোতাও করে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যের কথা বলে এবং ঘোষণা দেয়, দুই দল সমঝোতায় পৌঁছেছে; আসলে শেষ পর্যন্ত তা অশ্রুই ঝরাবে।

গ্যাভিন বলেন, এটি খুবই পরিষ্কার যে বিরোধী নেতা করবিনের লক্ষ্য সরকারের পতন ঘটিয়ে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়া। এ জন্য কনজারভেটিভকে বিভক্ত, বিপর্যস্ত ও হতাশ করতে সবই করতে পারেন তিনি। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা