kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে গণভোট

২০৩০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতা পাকা করতে চান সিসি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি সরকারের শাসনকে আরো সুদৃঢ় করতে গতকাল শনিবার দেশটিতে গণভোট শুরু হয়েছে। এই গণভোটে দেশটির প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসির ক্ষমতা আরো পাকাপোক্ত হবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মিসরে সংবিধান পরিবর্তনের লক্ষ্যে গণভোট নেওয়া হয়েছে।

এ ভোটের মাধ্যমে সিসির ২০৩০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দেশটির সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে শক্তিশালী করা যাবে।

সিসির সমর্থকদের দাবি, দেশটির অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর জন্য এ পরিবর্তন প্রয়োজন। তবে সমালোচকরা বলছেন, সিসির ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

দেশটির ৫৯৬ সদস্যের পার্লামেন্টে সিসির সমর্থক বেশি। গত মঙ্গলবার পার্লামেন্টে ৫৩১ ভোটে সংবিধান সংশোধনীর বিষয়টি পাস হয়।

গণভোটে দেশটির সাড়ে পাঁচ কোটি ভোটার তিন দিন ধরে ভোট দেবে। গতকাল থেকে ভোট শুরু হয়েছে। ধারণা করা হয়েছে, পরিবর্তনের বিষয়টি ভোটে পাস হয়ে যাবে। তবে পর্যবেক্ষকরা সিসির সমর্থনে কতজন ভোটার ভোট দেয়, তা দেখবেন।

সিসিবিরোধীরা অভিযোগ করছে, সরকার তড়িঘড়ি করছে। ‘না’ ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কর্মসূচি দেওয়ার সময় পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে দেশটির বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিবাদ সত্ত্বেও গতকাল থেকে টানা তিন দিনব্যাপী এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। মূলত এর মাধ্যমে সরকারের মেয়াদ আরো বাড়াতেই এমন পদক্ষেপ বলে দাবি বিরোধীদের।

সংবিধান সংশোধন হলে সিসি সরকারের বর্তমান মেয়াদ  ছয় বছর করে দেওয়া হবে এবং ২০২৪ সালে আবারও নির্বাচনে আসতে পারবেন তিনি। এ ছাড়া প্রধান বিচারক নিয়োগপ্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ এবং আইনজীবী নিয়োগের নিয়ন্ত্রণ থাকবে তাঁর হাতে। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণক্ষমতাও হাতে থাকবে।

গত বছরের এপ্রিলে মিসরে দ্বিতীয় মেয়াদে চার বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি। এ সময়েও ৯৭ শতাংশ ভোট পড়ে তাঁর পক্ষে। অনেকেই অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল পূর্বনির্ধারিত। সূত্র : রয়টার্স।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা