kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছেই

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কয়েক মাস ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ক্রমাগত নিচের দিকে নামছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও জরিপকারী প্রতিষ্ঠান ইপসসের করা পরপর তিনটি জনমত জরিপে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

গত সপ্তাহে করা সর্বশেষ জরিপে ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতা কমতে কমতে ৩৭ শতাংশে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে তারা। চলতি বছরে করা জরিপগুলোর মধ্যে এবারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের এত কম সমর্থন দেখা গেল।

২০১৬-র মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে রিপাবলিকান শিবিরের সঙ্গে রাশিয়ার কোনো আঁতাত হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে বিচার বিভাগের সম্পাদিত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন এ জরিপ করে রয়টার্স/ইপসস। ৪৪৮ পৃষ্ঠার বিস্তারিত ওই প্রতিবেদনে ট্রাম্প শিবির-মস্কো আঁতাতের কোনো প্রমাণ পাওয়া না গেলেও তদন্তে বাধা দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলারকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে। ২২ মাসের ওই তদন্তে মুলার কর ফাঁকি, জালিয়াতি, মিথ্যা বলাসহ বিভিন্ন অপরাধে যে ৩৪ জনকে অভিযুক্ত করেছেন, তাঁদের মধ্যে ট্রাম্পের সাবেক ছয় সহযোগীও আছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই তাঁর শিবিরের সঙ্গে রাশিয়ার সম্ভাব্য আঁতাতের তদন্তকে ‘উইচ হান্টিং’ হিসেবে অভিহিত করে আসছেন। তদন্তের উদ্যোক্তারা তাঁকে অবৈধ উপায়ে ক্ষমতাচ্যুতের চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগ তাঁর।

ট্রাম্প-রাশিয়া সংযোগ নিয়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) তদন্তে প্রেসিডেন্ট বাধা দিয়েছিলেন কি না, মুলারের তদন্তে তাও খতিয়ে দেখার কথা ছিল। মার্চে সারসংক্ষেপ প্রকাশের পর রিপাবলিকান শীর্ষ নেতারা বিচার বিভাগের এ তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন। সে সময় এক টুইটে তিনি বলেন, ‘কোনো আঁতাত হয়নি, বাধাও দেওয়া হয়নি। চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ দায়মুক্তি।’

গত বৃহস্পতিবার কংগ্রেসে মুলারের ৪৪৮ পাতার ‘সম্পাদিত ও পূর্ণাঙ্গ’ তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এতে স্পেশাল কাউন্সেল লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অপরাধ করেছেন—এ রকম কোনো উপসংহার এই প্রতিবেদন টানছে না।  সূত্র : রয়টার্স।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা