kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

ইন্দোনেশিয়ায় আজ ভোট

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইন্দোনেশিয়ায় আজ ভোট

ইন্দোনেশিয়ার বোনতো মাতিঙ্গিতে কাঁধে করে নির্বাচনী সামগ্রী বয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশটিতে আজ বুধবার নির্বাচন। ছবি গত মঙ্গলবারের। ছবি : এএফপি

হাতির পিঠে করে সুমাত্রায় যাচ্ছে ব্যালট বাক্স। বর্ষার কাদাপানি ভাঙতে একই কাজ করাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ঘোড়াও। সঙ্গে রয়েছে পাপুয়ার দিকে বিদ্রোহীদের হামলার আতঙ্ক। এসব বৈচিত্র্য একসঙ্গে মিলিয়ে আজ বুধবার ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের পর ইন্দোনেশিয়ার পরিচিতি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে।

২৬ কোটি জনসংখ্যার ইন্দোনেশিয়ায় ভোটার সংখ্যা ১৯ কোটিরও বেশি। আজ বুধবার দেশটিতে প্রেসিডেন্ট, পার্লামেন্টারি ও স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। আট ঘণ্টার এই নির্বাচনে কমিশন ভোট জালিয়াতি, সাইবার হামলার পাশাপাশি মুষলধারে বর্ষণ নিয়েও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সাংবাদিক ও কূটনীতিকদের এক জমায়েতে প্রধান নির্বাচন কমিশন আরিফ বুদিমান বলেন, ‘দেশটা বেশ বড়। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

ইন্দোনেশিয়ায় শত শত আদিবাসী আর বিচিত্র ভাষাভাষীর মানুষের বাস। দেশের প্রতিটি প্রান্তে ভোটের সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে হাতি, ঘোড়া, মোটরসাইকেল, গাড়ি, বিমান—সব ধরনের বাহনই ব্যবহার করছে নির্বাচন কমিশন। অতীতে ধাতুর ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হতো। এবারেরগুলো কার্ডবোর্ডের। ফলে বর্ষার মৌসুরি ব্যালট রক্ষায় বাক্সের ভেতর পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ বছর নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক দুই লাখ ৪৫ প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। সর্বোচ্চ লড়াই হবে প্রেসিডেন্ট পদটি নিয়ে। যেখানে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর সঙ্গে লড়ছেন সাবেক জেনারেল প্রাবোওয়ো সুবিয়ান্তো।

আজ স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় দেশের আট লক্ষাধিক ভোটগ্রহণ কেন্দ্র খুলে দেওয়া হবে। ভোট উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত বছর স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সেবার পুলিশ ও নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন নিহত হয়। এ কারণেই এবার আগে থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক রয়েছে সরকার। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এর জন্য গণমাধ্যমে চীন ও রাশিয়াকে দায়ী করা হলেও ইন্দোনেশিয়া সরকার সরাসরি কোনো অভিযোগ করেনি। বুদিমান বলেন, ‘এর জন্য দেশি-বিদেশি যেকোনো শক্তি দায়ী হতে পারে। আমরা সামলে নেব।’ সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য