kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

বিজেপি বিধায়কের হুমকি

সর্বত্র ক্যামেরা বসিয়েছেন মোদি, কংগ্রেসকে ভোট দিলেই জেনে যাব

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সর্বত্র ক্যামেরা বসিয়েছেন মোদি, কংগ্রেসকে ভোট দিলেই জেনে যাব

ভারতের ভুয়া হুমকি দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার তালিকাটা আরো একটু লম্বা হলো। এবার অভিযুক্ত গুজরাটের বিজেপি বিধায়ক রমেশ কাটারা। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে জনতার উদ্দেশে গুজরাটের এই বিজেপি নেতার হুঁশিয়ারি, ‘মোদি সব জায়গায় ক্যামেরা বসিয়ে রেখেছেন, বিজেপিকে ভোট না দিয়ে কংগ্রেসকে ভোট দিলেই আমরা জানতে পারব।’ গতকাল মঙ্গলবারই তাঁকে ক্যামেরার সামনে এই মন্তব্য করতে দেখা যায়। ঘটনা সামনে আসার পরই প্রতিবাদে সরব হয়েছে দেশের বিরোধীরা। অভিযোগ জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনেও।

গতকাল গুজরাটের দাহোদ লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচার চালাতে গিয়ে ফতেপুরার বিজেপি বিধায়ক রমেশ কাটারা জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ঢোকার পর ইভিএমে যশোবন্ত সিংহ ভাভোরের ছবি এবং পদ্মফুল প্রতীক দেখতে পাবেন। ওখানেই বোতাম টিপে ভোট দেবেন। কোনো ভুল যেন না হয়। কারণ এবার মোদি স্যার সর্বত্র ক্যামেরা বসিয়ে রেখেছেন।’

এখানেই থেকে থাকেননি রমেশ। কারো যাতে বুঝতে অসুবিধা না হয়, সে জন্য তিনি ফের বলেন, ‘কে বিজেপিকে ভোট দিচ্ছে, আর কে কংগ্রেসকে, সব দেখতে পাব আমরা। আধার কার্ডসহ সব কিছুতেই আপনাদের ছবি আছে। কোনো বুথ থেকে কম ভোট এলেই মোদি স্যার জানতে পারবেন, কারা তাঁকে ভোট দেয়নি। তাহলে আর সে কোনো কাজ বা চাকরি পাবে না।’

এই মুহূর্তে দাহোদ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সংসদ সদস্য যশোবন্ত সিং ভাভোর। তাঁর সমর্থনে খোদ বিজেপি বিধায়কের এই খোলা এবং ভুয়া হুঁশিয়ারিতে সরব হয়েছে বিরোধীরা। রাষ্ট্রীয় জনতা দলের তরফে লালুপ্রসাদ টুইট করেছেন, ‘অসহায় ভোটারদের ভয় দেখিয়ে বিজেপিতে ভোট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। ভোটে এই ধরনের হুমকির প্রভাব পড়বে।’

অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও ভোটারদের ভয় দেখিয়ে প্রভাবিত করার ঘটনা ঘটেছে। উত্তর প্রদেশের সুলতানপুরে বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গান্ধী হুমকি দিয়েছিলেন মুসলিম ভোটারদের। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, মুসলিমদের সমর্থন ছাড়াই তিনি ভোটে জিতবেন। যে মুসলিমরা তাঁকে ভোট দেবে না, তারা কোনো সুবিধা পাবে না বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

মন্তব্য