kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

লোকসভা ভোটে লড়তে রাজি নন মনমোহন সিং

লড়বেন না শারদ পাওয়ারও!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের ভোটে দাঁড়াতে আপত্তি রয়েছে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের। পাঞ্জাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর। অমৃতসর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য রাজ্য কংগ্রেসের তরফে তাঁকে অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে তিনি ভোটে লড়তে ইচ্ছুক নন—দলীয় সূত্রের খবর এমনটাই।

মনমোহন সিংকে লড়ার অনুরোধ জানিয়েছিল পাঞ্জাবের কংগ্রেস নেতৃত্ব। তিনি অমৃতসর থেকে ভোটে দাঁড়ালে রাজ্যবাসী খুশি হবে বলেও জানিয়েছিল দল। কিন্তু সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, দলকে ইতিবাচক উত্তর দেননি ছিয়াশি বছরের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

রবিবার বিকেল ৫টায় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং, রাজ্যের দলীয় প্রধান সুনীল জাখর ও পাঞ্জাবের দায়িত্বে থাকা সাধারণ সম্পাদক আশা কুমারী মনমোহনের বাসভবনে দেখা করেন তাঁর সঙ্গে। অমৃতসর থেকে তাঁকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনুরোধও করা হয়।

মনমোহন সিংকে লোকসভায় লড়ার অনুরোধ এই প্রথম নয়। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও ভগ্ন স্বাস্থ্যের কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাজি হননি তিনি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমৃতসর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি, যদিও অমরিন্দর সিংয়ের কাছে পরাজিত হন তিনি। অমরিন্দর সিং বর্তমানে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৯১ থেকে আসামের রাজ্যসভার সাংসদ মনমোহন সিং। চলতি বছরের ১৪ জুন তাঁর রাজ্যসভার সাংসদ পদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

আসামে আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে মনমোহন সিংকে পুনর্নির্বাচিত করার মতো সংখ্যা নেই কংগ্রেসের। সে ক্ষেত্রে অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের মতো দলের সমর্থন নিতে হবে কংগ্রেসকে। ১৯৯৯ সালে দক্ষিণ দিল্লি থেকে লড়েছিলেন মনমোহন। সেবার তিনি বিজেপির ভি কে মলহোত্রার কাছে পরাজিত হন।

লড়বেন না শারদ পাওয়ারও!

এদিকে নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার পরই গতকাল সোমবার ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) প্রধান শারদ পাওয়ার জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচনে মহারাষ্ট্রের মাধা কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়বেন না তিনি।  সূত্র : এনডিটিভি, আনন্দবাজার পত্রিকা।

মন্তব্য