kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

তফসিল ঘোষণা হতেই প্রচারযুদ্ধে মোদি-রাহুল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তফসিল ঘোষণা হতেই প্রচারযুদ্ধে মোদি-রাহুল

ভারতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল আগেই। রবিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে গেছে প্রচারযুদ্ধও। মাঠে নেমে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি এবং প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছেন। থেমে নেই অন্য বৃহৎ আঞ্চলিক দলগুলোও।  

প্রচারযুদ্ধে অবশ্য সবার চেয়ে এগিয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদি। রবিবার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার সাংবাদিক বৈঠক তখনো শেষ হয়নি। এর মধ্যেই পর পর আটটি টুইট করে যুদ্ধ ঘোষণা করে দেন মোদি। নিজেই নিজের নাম ধরে হুংকার ছাড়েন, ‘ফির একবার মোদি সরকার’। এদিন আরএসএসের প্রতিনিধিসভা শেষে সংঘ নেতা ভাইয়াজি জোশিও ভোটযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার ইঙ্গিত দেন।

বসে নেই কংগ্রেসের সভাপতি রাহুলও। গতকালই বুথ কর্মীদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক করার কথা ছিল। মোদির ‘বিদায় ঘণ্টা’ বাজিয়ে তাঁর দলও নিয়ে এসেছে নতুন স্লোগান ‘সত্যের জয় হবেই। ২৩ মে, ভারতের  জয়’। এসপি নেতা অখিলেশ যাদবও একই সুরে টুইটারে লিখেছেন, “এটা নিছক ভোট নয়। দেশের ভবিষ্যৎ আর জনস্বার্থে হতে চলা এক ‘মহা পরিবর্তনের’ ঘোষণা।” টুইট করে ‘গরিববিরোধী, বড়লোকদের বন্ধু’ মোদি সরকারকে দেশে অশান্তি তৈরির জন্য বিঁধেছেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতীও।

এবারের ভোটে মূল লড়াইটা মোদি বনাম রাহুল হলেও কংগ্রেস নেতারা এখনই দলের সভাপতির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে বলছেন না। কারণ কংগ্রেসসহ বিরোধীদের জোট আগেই ঠিক করেছে যে প্রধানমন্ত্রী বাছাই হবে ভোটের ফল ঘোষণার পর। যদিও কংগ্রেসের বাকি নেতারা বলতে শুরু করেছেন, লড়াইটা সরাসরি মোদি বনাম রাহুলের। দুপক্ষের দুই সেনাপতি রাহুল ও মোদির সভার হিসাবও চূড়ান্ত হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রাহুল দেশজুড়ে কমবেশি ১৭৫টি সভা করবেন। তাঁর সঙ্গেই থাকবে রোড শো, পদযাত্রা। মোদি অন্তত শ দুয়েক সভা করবেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

মোদি নিজেও জানেন তাঁর লড়াইটা রাহুল তথা কংগ্রেসের সঙ্গেই। তাই ভোট ঘোষণার পরেই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন এবং বললেন, “গত পাঁচ বছরে ১৩০ কোটি জনতার আশীর্বাদে ‘অসম্ভবকে সম্ভব’ করা গেছে। ২০১৯  সালের লড়াই বিশ্বাস আর ইতিবাচক ভাবনার। সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্রে এনডিএ ফের মানুষের আশীর্বাদ চাইছে।”

কংগ্রেসের তরফে অশোক গহলৌত পাল্টা বললেন, ‘কোথায় গেল অচ্ছে দিন? বছরে দুই কোটি রোজগার? কৃষকদের সঠিক দাম? ব্যাংকে ১৫ লাখ টাকা? মহিলাদের নিরাপত্তা? সব ক্ষেত্রেই ব্যর্থ মোদি। এখন বদলের সময়। ২৩ মে দেশের মানুষ নতুন সরকার বাছবে। মোদির বিদায় ঘণ্টা বাজবে।’ সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

 

মন্তব্য