kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

কবি রুদ্রের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ অক্টোবর, ২০১৮ ১৩:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কবি রুদ্রের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি

আজ কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৬২তম জন্মবার্ষিকী আজ। কবির জন্মবার্ষিকী উদযাপনকে কেন্দ্র করে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে তাঁর জন্মভূমি বাগেরহাটের মোংলায়। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে উপজেলার মিঠাখালীতে গ্রামের বাড়িতে কবির কবরে শোভাযাত্রা সহকারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ‘রুদ্র স্মৃতি সংসদ’। আয়োজন করা হয় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের।

এ ছাড়া সন্ধ্যায় ‘রুদ্র স্মৃতি সংসদ’ কার্যালয়ে আয়োজন করা হয়েছে স্মরণসভার। সভা শেষে কবির কবিতা আবৃত্তি ও গান পরিবেশিত হবে।

এদিকে বেলা ১১টায় মোংলা কলেজ মিলনায়তনে কবির স্মরণে আরেকটি স্মরণসভার আয়োজন করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মোংলা শাখা। কবির আবির্ভাব দিবসকে উদযাপন করতে বিকেলে মিঠাখালি মাঠে আয়োজন করা হয়েছে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের।

প্রতিবাদী ও শিল্পমগ্ন উচ্চারণ রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহকে দিয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম কবি-স্বীকৃতি। ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে অকালমৃত্যু হয় এ কবির।  

৩৫ বছরের (১৯৫৬-১৯৯১) স্বল্পায়ু জীবনে সাতটি কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও গল্প, কাব্যনাট্য এবং ‘ভালো আছি ভালো থেকো’সহ অর্ধ-শতাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ।

‘ভালো আছি ভালো থেকো’ গানটির জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে ১৯৯৭ সালে শ্রেষ্ঠ গীতিকারের (মরণোত্তর) সম্মাননা লাভ করেন রুদ্র। ‘উপদ্রুত উপকূল’ ও ‘ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম’ কাব্যগ্রন্থ দুটির জন্য ‘সংস্কৃতি সংসদ’ পরপর  দুই বছর তাঁকে প্রদান করেন ‘মুনীর চৌধুরী’ সাহিত্য পুরস্কার। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের লড়াই, সংগ্রাম, মিছিলে, প্রতিবাদে আজ এক অনিবার্য নাম রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা