kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

মেলায় এলো নওশাদ জামিলের বই 'ঢেউয়ের ভেতর দাবানল'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৬:০১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মেলায় এলো নওশাদ জামিলের বই 'ঢেউয়ের ভেতর দাবানল'

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে কবি ও সাংবাদিক নওশাদ জামিলের কবিতার বই ‘ঢেউয়ের ভেতর দাবানল’। বইটি প্রকাশ করেছে অন্যপ্রকাশ। প্রচ্ছদ করেছেন শিবু কুমার শীল। তিন ফর্মার এ বইটির দাম ১০০ টাকা।

প্রতিশ্রুতিশীল এ লেখক লেখালেখি করছেন ছোটবেলা থেকেই। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য পত্রিকা, সাহিত্য সাময়িকী ও ছোটকাগজে প্রকাশিত হয়েছে তার কবিতা, গল্প, প্রবন্ধসহ অন্যান্য রচনা। জাতীয় দৈনিকের সাময়িকীতে প্রচুর লিখলেও তার লেখালেখির ভিত্তি তৈরি হয়েছে মূলত ছোটকাগজে লেখার মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পত্রিকা ও ছোটকাগজে প্রকাশিত হয়েছে তার নানা রচনা।

এর আগে ২০১১ সালে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশনা সংস্থা ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত হয় তার প্রথম কবিতার বই ‘তীর্থতল’। একই প্রকাশনী থেকে ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ  'কফিনে কাঠগোলাপ'। এ বছর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘ঢেউয়ের ভেতর দাবানল’ তৃতীয় কবিতার বই।

বইটির সম্পর্কে নওশাদ জামিল বলেন, ''এ বইয়ের সব কবিতা চতুর্দশপদী। তবে প্রথাগত 'চতুর্দশপদী' যেমন হয়, ঠিক তেমনটা নয়। ছন্দ, মাত্রা, পর্ব-বিভাজনসহ নানা কিছু নিয়ে নিরীক্ষা করতে চেয়েছি। কতটুকু পেরেছি জানি না। কলেজজীবনে, লেখালেখির যখন প্রাথমিকপর্ব, তখন মাইকেল মদুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী পড়ে প্রাণিত হয়ে লিখতে শুরু করেছিলাম এ ধারার কবিতা। তারপর বিশ্ববিদ্যালজীবনেও লিখেছি প্রচুর। ফলশ্রুতিতে আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'তীর্থতল' ও দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'কফিনে কাঠগোলাপ' বইয়ে পত্রস্থ হয় কিছু চতর্দশপদী কবিতা।''

নওশাদ জামিল আরো বলেন, ''দীর্ঘদিন ধরে লিখতে লিখতে, অক্ষরবৃত্ত নিয়ে কাজ করতে করতে, হঠাৎ লক্ষ্য করি ইতিমধ্যে লেখা হয়ে গেছে শতাধিক চতুদর্শপদী কবিতা। স্বপ্ন ছিল শুধুমাত্র চতুর্দশপদী দিয়ে প্রকাশ করব একটি কাব্যগ্রন্থ। 'ঢেউয়ের ভেতর দাবানল' হয়ে গেল সেই স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি।''

কবিতা ছাড়াও এর আগে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে 'কহন কথা : সেলিম আল দীনের নির্বাচিত সাক্ষাৎকার' ও 'রুদ্র তোমার দারুণ দীপ্তি' শিরোনামের দুটি বই ও পত্রিকা। লেখালেখির জন্য তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে পেয়েছেন আদম সম্মাননা পুরস্কার। এ ছাড়াও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় পেয়েছেন ইউনেস্কো-বাংলাদেশ জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ড।

তরুণ এ লেখকের জন্ম ১৯৮৩ সালের ১ মে, ময়মনসিংহের ভালুকায়। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পড়াশোনা সেখানেই। তারপর চলে আসেন ঢাকায়, ভর্তি হন ঢাকা স্টেট কলেজে। উচ্চমাধ্যমিকের পর ভর্তি হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে, সরকার ও রাজনীতি বিভাগে। সেখান থেকেই স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনে তার পেশা সাংবাদিকতা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই জড়িয়ে পড়েন এ জগতে। সাংবাদিকতার হাতেখড়ি দৈনিক প্রথম আলোয়। তারপর ২০০৯ সাল থেকে চাকরি করছেন দৈনিক কালের কণ্ঠের বার্তা বিভাগে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা