kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

বইমেলায় নঈম নিজামের নতুন তিনটি বই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৪:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বইমেলায় নঈম নিজামের নতুন তিনটি বই

অমর একুশে বইমেলায় বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক, বিশিষ্ট সাংবাদিক নঈম নিজামের তিনটি বই প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে দুটি বই 'চাঁদের আলোয় মৃত্যু দেখা' ও 'প্রিন্ট জার্নালিজম : কীভাবে সাংবাদিক হবেন' এসেছে অন্বেষা প্রকাশন থেকে। এ ছাড়া তাম্রলিপি প্রকাশ করছে 'ভ্রমণে কত কাহিনী'। সব ক'টি বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন শাকীর এহসানুল্লাহ।

'চাঁদের আলোয় মৃত্যু দেখা' গ্রন্থটি লেখকের নির্বাচিত কলাম সংকলন। কলামগুলোতে সাম্প্রতিক রাজনীতি ও সমাজের নানাদিক আলোচিত হয়েছে। লেখক দেশের বিদ্যমান সমস্যা ও সংকট উত্তরণের উপায়সহ বিভিন্ন প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন। সমকালীন রাজনীতির নানা দিকের পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি উঠে এসেছে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। কোনো কোনো লেখায় সমস্যা সমাধানের সুস্পষ্ট নির্দেশনাও রয়েছে। দেশ সম্পর্কে একজন গুণী সাংবাদিকের গভীর পর্যবেক্ষণ পাঠকদের আনন্দ দেবে, উৎসাহিত করবে।

'প্রিন্ট জার্নালিজম : কীভাবে সাংবাদিক হবেন' গ্রন্থটিতে সাংবাদিকতার নানাদিক উঠে এসেছে। প্রিন্ট মিডিয়াতে কাজ করতে আগ্রহীরা এই বইয়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সংবাদ সংগ্রহ ও সংবাদ পরিবেশনার একটি দিকনির্দেশনা পাবেন। বইটিতে একজন নবীন সাংবাদিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য নানা কৌশল, নীতি ও আদর্শের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

'ভ্রমণে কত কাহিনী' গ্রন্থটিতে লেখক পেশাগত জীবনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। বিদেশের একাধিক গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট পরিদর্শন, আন্তর্জাতিক মিডিয়া বিবিসি, সিএনএন, আল-জাজিরাসহ বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন সেমিনারে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতার কথা এ বইতে উঠে এসেছে।

নঈম নিজাম বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় একটি উজ্জ্বল নাম। এ দেশের টিভি মিডিয়াকে যারা সফল করে তুলছেন তাঁদের একজন তিনি। গত শতকের আশির দশকের শেষে এবং নব্বই দশকে ছিলেন রাজনৈতিক প্রতিবেদক। কাজ করেছেন 'আজকের কাগজ', 'ভোরের কাগজ'সহ কয়েকটি দৈনিকে। চালু করেন একটি সংবাদ সংস্থা। টিভি এবং প্রিন্ট উভয় গণমাধ্যমে তার সর্বোচ্চ সফলতা। 'এটিএন বাংলা'র প্রতিষ্ঠাতা বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে অনেক সৃষ্টিতে যোদ্ধার মতো অবদান তাঁর। পেশাগত জীবনে সফল অবস্থান থেকে ২০০৬ সালে ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব নেন 'এসটিভি ইউএস'র। ফখরুদ্দীন, মঈন-ইউর সরকার এই চ্যালেনটি বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' সম্পাদক। তাঁর নেতৃত্বে এ পত্রিকা দেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক। নতুন সৃষ্টি ও পরিকল্পনায় তাঁর আনন্দ। জীবনের বড় সাফল্য প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় অনেক সাংবাদিক সৃষ্টি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা