• ই-পেপার

বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

পাকুন্দিয়ায় সেই তিন মাদক কারবারিকে কারাদণ্ড

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
পাকুন্দিয়ায় সেই তিন মাদক কারবারিকে কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরপলাশ গ্রামে মাদক কারবারের অভিযোগে জনতার হাতে আটক হওয়া সেই তিন ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (৯জুন) দুপুরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গতকাল সোমবার (৮জুন) রাতে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত জাহান।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, চরপলাশ গ্রামের কেনু খলিফার ছেলে রতন মিয়া, আসাদ মোড়লের ছেলে শাফুল মিয়া এবং গিয়াস উদ্দীনের ছেলে ফারজুল। 

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান জানান, ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় পৃথক তিন মামলায় তাদের প্রত্যেককে ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও একশো টাকা করে অর্থদন্ড দেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত জাহানের ভ্রাম্যমান আদালত।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাসিক প্রশাসকের কড়া বার্তা, অবহেলায় চাকরিচ্যুতি

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাসিক প্রশাসকের কড়া বার্তা, অবহেলায় চাকরিচ্যুতি
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ওয়ার্ডভিত্তিক ফগার মেশিন বিতরণ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান।

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডভিত্তিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কড়া বার্তা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি বলেছেন, ‘যে ওয়ার্ডে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি হবে, সেই ওয়ার্ডের সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে যেসব ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগী ও মশার উপদ্রব সবচেয়ে কম থাকবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।’

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে নগর ভবনের ৫ম তলার সভাকক্ষে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গৃহীত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওয়ার্ডভিত্তিক ফগার মেশিন বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে ডা. শেখ মোস্তফা আলীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূর কুতুবুল আলম। এ সময় বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, ওয়ার্ড সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘শুধু মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করলেই হবে না, প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত নজরদারি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় সংশ্লিষ্টদেরই বহন করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশনের সরবরাহ করা মশা নিধনের ওষুধ উন্নতমানের ও পরীক্ষিত। এসব ওষুধের সঙ্গে অন্য কোনো উপাদান মিশিয়ে কেউ অসাধু উপায়ে ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে আপস করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।’

তিনি জানান, নাসিকের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রথম ধাপে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১৬টি এবং মঙ্গলবার দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৬টি ফগার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। ফলে দুই ধাপে মোট ৩২টি ফগার মেশিন ওয়ার্ড পর্যায়ে সরবরাহ করা হলো। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য ওয়ার্ডেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সহায়তা দেওয়া হবে।

নাসিক প্রশাসক বলেন, ‘আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত ফগিং কার্যক্রম এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কাজ করা হবে।’ একই সঙ্গে তিনি নগরবাসীকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান।

স্কুল ফিডিং প্রকল্পে অনিয়ম : মাদারীপুরে দুজন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্কুল ফিডিং প্রকল্পে অনিয়ম : মাদারীপুরে দুজন গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

স্কুল ফিডিং (মিড ডে মিল) প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহের জড়িত থাকায় মাদারীপুর সদর উপজেলা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৮ জুন) মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার এ এফ এম আহসানুল হাবিবের (৫১) বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলায় ও মো. নুরুজ্জামানের (৪৩) বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়।

আরো পড়ুন
সংসদের লাইব্রেরি কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

সংসদের লাইব্রেরি কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

 

আসামিরা সমতা ট্রেডার্স নামক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য খাদ্য সরবরাহ কার্যক্রমের সাথে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নষ্ট ও খাবার অযোগ্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের ঘটনায় তাদের ভূমিকা ও দায়-দায়িত্বের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপ টিকিট বরাদ্দ বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র, অভিযোগ ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের

বিশ্বকাপ টিকিট বরাদ্দ বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র, অভিযোগ ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের

 

উল্লেখ্য, মাদারীপুর সদর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কয়েকটি স্কুলে মিড ডে মিলের খাবার খেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হয়। এরপর সরকার এ বিষয়ে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ বিষয়ে সিভিল সার্জনকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠনের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মাদারীপুরের জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেন। তিনি অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণেরও অনুরোধ জানান।

কর্মস্থল নেত্রকোনায়, কর্মকর্তা থাকেন ঢাকায়

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
কর্মস্থল নেত্রকোনায়, কর্মকর্তা থাকেন ঢাকায়
নেত্রকোনার আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন।

নেত্রকোনার আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার দায়িত্বে থাকা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বসবাস করেন ঢাকার সাভারে নিজ বাড়িতে। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এতে দুই উপজেলায় চলমান গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য কার্যক্রম ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইমরান হোসেনের মূল পোস্টিং নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায়। পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পার্শ্ববর্তী কেন্দুয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. ইমরান হোসেনের কর্মস্থল কেন্দুয়া ও আটপাড়া উপজেলা হলেও তিনি ঢাকার সাভারে বসবাস করেন। মাঝেমধ্যে সাভার থেকে এসে আটপাড়া উপজেলা ডাকবাংলোতে অস্থায়ীভাবে অবস্থান করে দায়িত্ব পালন করেন। পরে আবার ঢাকায় ফিরে যান।

অভিযোগ রয়েছে, ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি শুরুর আগেই গত ২৩ মে অফিসের কাজ শেষে তিনি সাভারে চলে যান। অথচ সরকারি ছুটি শুরু হয়েছিল ২৬ মে থেকে। ফলে ছুটি শুরুর আগের তিন কর্মদিবস তিনি অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। এছাড়া ঈদের ছুটি শেষে ১ জুন সরকারি অফিস খোলার পরও তিনি পুরো সপ্তাহ কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। পরবর্তী সপ্তাহে ৭ জুন অফিসে ফেরেন বলে জানা গেছে।

এদিকে গত ১৩ মে থেকে আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারের ভর্তুকিমূল্যের ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দুই উপজেলায় প্রতিদিন ওএমএসের মাধ্যমে প্রায় ২ টন চাল ও ২ টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমও চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওএমএসের চাল উত্তোলনের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) এবং ধান-চাল সংগ্রহ সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। অভিযোগ রয়েছে, কর্মকর্তার অনুপস্থিতির সুযোগে অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিত তদারকি হয়নি এবং ওএমএসের চাল বিতরণ নিয়ে অনিয়মের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমনকি অনেক পয়েন্টে চাল ও আটা বিতরণ না করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

আটপাড়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের উপ খাদ্য পরিদর্শক শরীফা আক্তার প্রথমে কর্মকর্তার অনুপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে বলেন, ‘স্যার (ইমরান হোসেন) ঈদের পরের সপ্তাহে অসুস্থতার কারণে ছুটিতে ছিলেন। তাই অফিসে আসেননি। ৬ জুন কেন্দুয়ায় চাল সংক্রান্ত একটি সমস্যা দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ফোন পেয়ে তিনি ওই রাতেই চলে আসেন। স্যার ঢাকায় থাকেন। এখানে এসে ডাকবাংলোতে অবস্থান করে দায়িত্ব পালন করেন। পরে বৃহস্পতিবার চলে যান এবং শনিবার রাতে আবার আসেন।’

কেন্দুয়া খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঢাকায় বসবাস করে নিয়মিতভাবে আটপাড়া ও কেন্দুয়ার দায়িত্ব পালন করা বাস্তবে কঠিন। ফলে অনেক সময় অফিসে পাওয়া যায় না। কিছু ক্ষেত্রে চালের ডিও পরে এসে একসঙ্গে স্বাক্ষর করেন তিনি। এতে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।’

তারা আরো বলেন, ‘খাদ্য বিভাগের মতো জনসেবামূলক গুরুত্বপূর্ণ খাতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত না হলে সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।’

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘ঈদের আগে দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি গিয়েছি। ঈদের পরের সপ্তাহেও এসেছিলাম দুই-একদিন ডিউটি করে চলে গেছি। আমি অসুস্থ্য তাই একটু সমস্যা হয়েছে। আরো কিছু জানতে হলে সরাসরি বলব। তারপর ফোনের সংযোগ কেটে দেন। পরে পরিচিত লোকজনকে দিয়ে এ বিষয়ে সংবাদ না প্রকাশ করার জন্য তদবির করেন তিনি। ভালো কোথায়ও পোস্টিও দেওয়া হবে ঊর্ধ্বতনদের এমন আশ্বাসে ইমরান হোসেন এখানে কোনরকম দিনপার করছেন বলেও তদবিরকারীরা জানায়।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

বিষয়টি অবহিত করলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আপনার কাছ থেকেই প্রথম জানলাম। আমাকে ওই কর্মকর্তা কিছুই জানায়নি। খোঁজ নিয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, গত ৬ জুন কেন্দুয়া উপজেলার টেঙ্গুরি এলাকায় একটি পরিত্যক্ত অটোরাইস মিলে বিপুল পরিমাণ অবৈধভাবে মজুদ চাল পওয়া যায়। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এরআগে গত ১৪ মে রাতে জেলার মদন উপজেলায় ২০ টন চালবোঝাই ট্রাক জব্দ করে প্রশাসন। পরে খাদ্য অধিদপ্তরের তদন্তে গুদামে আরও প্রায় ৪৪ টন চাল অতিরিক্ত মজুদ পওয়া যায়। এসব ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুলাল মিয়া ও গুদাম কর্মকর্তা মাহমুদুল আলমকে বরগুনা জেলায় বদলি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমানের প্রশ্রয়ে এমন অনিয়ম ও দুর্নীতি চলমান রয়েছে।