• ই-পেপার

‘পরকীয়ায়’ ধরা পড়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে মুক্তি বিএনপি নেতার

কুমিল্লা

থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি
থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার এলাকায় অবৈধ থ্রি-হুইলার আটককে কেন্দ্র করে হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও তাদের একটি টহল গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে নিমসার সবজি বাজার সংলগ্ন মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ময়নামতি হাইওয়ে থানার একটি টহল দল মহাসড়কে চলাচলরত কয়েকটি অবৈধ থ্রি-হুইলার আটক করে। এসময় ক্ষুব্ধ চালক ও তার সহযোগীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের কাজে বাধা দেয় এবং একপর্যায়ে হামলা চালান। তারা পুলিশের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এতে টহল গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ওসি মো. আবদুল মমিন জানান, অবৈধ থ্রি-হুইলার আটকের পর ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তিনি আরো জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে গুলি

নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে গুলি
প্রতীকী ছবি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের গুলিতে ফারুক হোসেন নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কালামিয়ার পোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ ফারুক (২৭)  হাজীপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ফারুক হাজীপুর ও শরীফপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কালামিয়ার দোকান এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে ৩ থেকে ৪ জনের একটি দল সেখানে এসে উপস্থিত হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে তার তলপেট ও হাঁটুতে গুলি লাগে এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা.রাজীব আহমেদ চৌধুরী জানান, ফারুকের তলপেট ও হাঁটুতে গুলি লেগেছে। তবে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি শামসুজ্জামান জানান, সন্ত্রাসীরা ওই যুবককে আকস্মিক গুলি করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনার সাথে জড়িত দুর্বৃত্তদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
সংগৃহীত ছবি

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিমল ভক্ত (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার ঝালোডাংগা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৮ জুন) দুপুর আনুমানিক ২টা দিকে ভুক্তভোগী শিশুটি পরিমল ভক্তের বাড়িতে যায়। এসময় পরিমল তাকে জোরপূর্বক ঘরের ভেতর নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং তার ওপর নির্যাতন চালান। পরবর্তীতে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।

চিতলমারী থানার ওসি (তদন্ত) রোকেয়া খানম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশু ধর্ষণের অভিযোগে পরিমল ভক্ত নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এদিন দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

পাবনায় স্কুলছাত্রী হত্যা

আসামির বাড়িতে অগ্নিসংযোগে দগ্ধ আরও দুজনের মৃত্যু

পাবনা প্রতিনিধি
আসামির বাড়িতে অগ্নিসংযোগে দগ্ধ আরও দুজনের মৃত্যু

পাবনায় স্কুলছাত্রী রিয়া হত্যার ঘটনায় আসামির বাড়িতে অগ্নিসংযোগের সময় দগ্ধ আরও দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো।

এদের মধ্যে মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন ও সোমবার বিকেলে একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের নতুনপাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির, একই এলাকার ইউসুফের ছেলে সাপু ও ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ। 

পুলিশ ও সংশ্লিষ্টরা জানায়, উপজেলার পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের বাসিন্দা নাঈমের সঙ্গে স্কুলছাত্রী রিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে নাঈমের বাড়িতে পাওনা টাকা নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে রিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে দুই বন্ধুর সহযোগিতায় প্রাইভেটকারে করে ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পীরপুর পদ্মা নদীতে রিয়ার মরদেহ ফেলে আসে। পরদিন বুধবার (৩ জুন) বস্তাবন্দি অবস্থায় রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতারও করা হয়।

পরদিন রিয়ার মরদেহ দাফনের পর বিক্ষুব্ধরা প্রধান অভিযুক্ত নাঈমের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এসময় অভিযুক্তের পরিবারের কেউ বাড়িতে না থাকলেও গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে প্রতিবেশী ও উৎসুক জনতাদের কয়েকজন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যকার তিনজনের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘সাপু ও সাব্বির সকালে এবং সুমন গতকাল বিকেলে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’