<p style="text-align: justify;">সুন্দরবনে দস্যু দমন অভিযানে কুখ্যাত বনদস্যু মেজো জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহিদুল ইসলাম ওরফে মেজো জাহাঙ্গীরকে (৫৬) আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি একনলা বন্দুক ও পাঁচ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।</p> <p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (বিএন) সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।</p> <p style="text-align: justify;">এর আগে সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শিবসা নদীর আদাচাই ফরেস্ট অফিসসংলগ্ন কালীর খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।</p> <p style="text-align: justify;">আটক জাহিদুল নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।</p> <p style="text-align: justify;">কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা সাব্বির আলম সুজন জানান, কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন মোংলার গোয়েন্দা বিভাগের অনুসন্ধানে প্রথমে বনদস্যু মেজ জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সুন্দরবনের শিবসা নদীর আদাচাই ফরেস্ট অফিসসংলগ্ন কালীর খাল এলাকা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ জাহিদুল ইসলাম ওরফে মেজ জাহাঙ্গীরকে আটক করা সম্ভব হয়।</p> <p style="text-align: justify;">কোস্ট গার্ডের দাবি, জাহিদুল ওরফে মেজ জাহাঙ্গীর নিজেই একটি দস্যু বাহিনী গঠন করে দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের জেলে ও মৌয়ালদের অপহরণ, নির্যাতন, মুক্তিপণ আদায় এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।</p> <p style="text-align: justify;">কোস্ট গার্ড আরও জানিয়েছে, আটক দস্যু প্রধান পূর্বে আত্মসমর্পণকারী কোনো দস্যু দলের সদস্য ছিলেন কি না বা তার বিরুদ্ধে আগের কোনো মামলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।</p> <p style="text-align: justify;">সুন্দরবন পুরোপুরি দস্যুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ ও ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের ওই কর্মকর্তা।</p>