• ই-পেপার

অনুমোদনহীন ভবন নির্মাণ বন্ধে কেরানীগঞ্জে ফের রাজউকের অভিযান

টাঙ্গাইল

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ৪

অনলাইন ডেস্ক
দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ৪
সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইলের সখিপুরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় চারজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর ৫টার দিকে সখিপুর-সাগরদিঘী সড়কের কালিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। 

দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সখিপুর থানার ওসি হেলাল উদ্দিন। 

তিনি জানান, ভোর ৫টার দিকে উপজেলার কালিয়া ঘোনারচালা এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাঁশবোঝাই ট্রাকে মুরগিবাহী পিকআপ ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মুরগিবাহী পিকআপে থাকা চারজনের মৃত্যু হয়। মরদেহগুলো উদ্ধার করে সখীপুর থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
 

খালি ঘরে ঝুলছিল ১৬ বছরের কিশোরের মরদেহ

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)  প্রতিনিধি
খালি ঘরে ঝুলছিল ১৬ বছরের কিশোরের মরদেহ
স্বজনদের আহাজারি

মায়ের করা মামলায় বাবা কারাগারে, মা অবস্থান করছিলেন নানা বাড়িতে। আর একাই বসতঘরে থাকত ১৬ বছরের কিশোর তুহিন হাওলাদার। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে সেই ঘর থেকেই তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের পুরাতন বাজার সংলগ্ন এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তুহিনের বাবা মনির হাওলাদার ও মা শেফালী বেগমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ২০২৫ সালের শেষ দিকে শেফালী বেগম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে মনির হাওলাদারকে কারাগারে যেতে হয়। ওই মামলায় তিনি এর আগে প্রায় দেড় মাস কারাভোগ করেন। সর্বশেষ কোরবানির ঈদের এক সপ্তাহ আগে আবারও কারাগারে যান। বর্তমানে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

অন্যদিকে তুহিনের মা দক্ষিণ চরমোন্তাজে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তুহিন বাড়িতে একাই থাকত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পরিবারটির তিন সন্তানের মধ্যে তুহিন ছিল বড়। তার দুই ছোট বোনও মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে ছিল।

প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় তুহিনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে কেউ দরজা খোলা দেখেছেন, আবার কেউ বলছেন দরজা বন্ধ ছিল।

তুহিনের মা শেফালী বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে আমাকে কিছুই বলেনি। তার সঙ্গে কোনো কথাও হয়নি। মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। আমার মেয়ে আমাকে বলছিল, ভাইয়ের মোবাইল বন্ধ।’ তিনি আরো বলেন, ‘কে জানি তার গাড়ি আটকেছিল। এর সপ্তাহখানেক আগে বাজারের এক ঘরে রাতে ঢুকেছিল। মেম্বারে (ইউপি সদস্য) সালিসিও করছে।’

তবে কিশোরটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বেলাল হোসেন বলেন, ‘সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তুহিনের  বাবা ও মায়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো ছিল না। মায়ের মামলায় বাবা কারাগারে আছে।’

হিলিতে ১৪ বছর পালিয়ে থেকেও রক্ষা হলো না সাজাপ্রাপ্ত আসামির

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
হিলিতে ১৪ বছর পালিয়ে থেকেও রক্ষা হলো না সাজাপ্রাপ্ত আসামির

দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দীর্ঘ ১৪ বছর পলাতক থাকার পরও পুলিশের হাত থেকে রক্ষা হলো না যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি মো. জামাল হোসেনের (৬০) পরে সুকৌশলে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
 
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হাকিমপুর পৌর শহরের মধ্য বাসুদেবপুর এলাকার মৃত রফিক হোসেনের ছেলে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, ২০১১ সালের ২০ নভেম্বর জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে হাকিমপুর থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে বিচারকার্য শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এরপর থেকেই তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।

হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. জাকির হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল হোসেন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল এলাকায় তার বোনের বাড়িতে আত্মগোপনে আছেন। পরবর্তীতে পুলিশি সুকৌশলে তাকে হাকিমপুর পৌর শহরের মধ্যে বাসুদেবপুর (চুড়িপট্টি) এলাকায় এনে গ্রেপ্তার করা হয়। 

তিনি আরো জানান, পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক মামলায় থানার আলিহাট ইউনিয়নের আলিহাট গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে নাঈম হাসান (২৫) এবং পৌর শহরের ধরন্দা (ফকিরপাড়া) মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে আল আমিন ওরফে কালুকে (২৪) গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ তিনজনকে দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চন্দনাইশে হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চন্দনাইশে হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মো. সেকান্দার ইসলাম প্রকাশ রাশেদ নামে এক এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) ভোরে উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চাগাচর চৌকিদার পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে চন্দনাইশ থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত রাশেদ চন্দনাইশ থানার মামলা নং-০৪(১০)১৯, জিআর-২২৩/১৯-এর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারার এজাহারভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে এলাকায় চুরি, মাদকসেবনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া উপজেলার দোহাজারী নাথপাড়ার আলোচিত ফুলতলা এলাকার ব্যবসায়ী স্বপন হত্যা মামলার প্রধান আসামি।

চন্দনাইশ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেছেন আসামিকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

অনুমোদনহীন ভবন নির্মাণ বন্ধে কেরানীগঞ্জে ফের রাজউকের অভিযান | কালের কণ্ঠ