kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৯ নভেম্বর ২০২২ । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ডুবে নিখোঁজ যুবক

ভোলা প্রতিনিধি    

২৪ নভেম্বর, ২০২২ ২০:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ডুবে নিখোঁজ যুবক

নিখোঁজ যুবক নোমানের স্বজনদের আহাজারি

ভোলার দৌলতখানায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে মেঘনা নদীতে পড়ে নোমান (২৭) নামের এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এর আগে দুপুরে উপজেলার পাতারখাল মাছঘাট এলাকায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ডুবে নিখোঁজ হন তিনি।  

নোমান চর খলিফা ইউনিয়নের আবুল কালাম বেপারীর ছেলে ও পাতারখাল মাছঘাটের শ্রমিক।

বিজ্ঞাপন

 

এ ঘটনায় দৌলতখান থানা পুলিশের গাড়িচালক রাসেল ও মো. সজীব নামের দুই পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আসাদুজ্জামান বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় শ্রমিক ইসমাইল, ফারুক, রুবেল ও নোমানসহ আরো ৭-৮জন মেঘনা নদীর পাতার খাল মাছ ঘাট এলাকায় জুয়া খেলছিলেন। এ সময় দৌলতখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) স্বরূপ কান্তি পালের নেতৃত্বে কনস্টেবল রাসেল ও সজীব জুয়ার আসরে গিয়ে তাদের ধাওয়া করে। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ফারুক, ইসমাইল, রুবেল ও নোমান মেঘনা নদীতে ঝাঁপ দেন।  

এদের মধ্যে ফারুক, ইসমাইল ও রুবেল সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নোমান নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়।

নদী থেকে তীরে ওঠা ফারুক ও রুবেল জানান, পুলিশের ধাওয়া খেয়ে তারা চারজন মেঘনা নদীতে পড়ে যায়। এদের মধ্যে তিনজন সাঁতরে তীরে উঠে যায়। এরই মধ্যে পুলিশ সদস্যরা ওপর থেকে নোমানকে লক্ষ্য করে ইট ছুঁড়তে থাকে।  

প্রত্যক্ষদর্শী রিয়াজ উদ্দিন জানান, নোমান নদীতে পড়ে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছিলেন। এ সময় রিয়াজ নোমানকে নদী থেকে উদ্ধারের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ায় এসআই স্বরূপ কান্তি পাল তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেন।

দৌলতখান ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. শাহাদাত হোসেন জানান, বিকেল ৫টা থেকে ডুবুরি দল নোমানকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ভোলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান (প্রশাসন ও অর্থ) জানান, এ ঘটনায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে কনস্টেবল রাসেল ও সজীবকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা