kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০২২ । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

কুষ্টিয়ায় পৃথক হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া   

১০ নভেম্বর, ২০২২ ২২:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুষ্টিয়ায় পৃথক হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়া সদর ও কুমারখালী থানায় দায়েরকৃত পৃথক দুটি হত্যা মামলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিশেষ দায়রা জজ মো. আশরাফুল ইসলাম পৃথক দুটি আদালতে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দহকুলা এলাকার থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বিশ্বাস (৫৫), তার ভাই বাবুল বিশ্বাস (৪৫), হাবিল বিশ্বাস (৫১) এবং আক্তারুজ্জামান বিশ্বাসের ছেলে মাহামুদুল হাসান সবুজ (৩০), একই এলাকার রাশেদুল ইসলাম বিদ্যুৎ (৪১), মাসুদ গায়েন (৩৯), রাজবাড়ী জেলার তেতুলিয়া এলাকার জিল্লুর রহমান (৩০), একই এলাকার তারেক শেখ ওরফে মাধব (৩০), জাহিদ খাঁ (৩০), সিংড়া এলাকার সৌরভ মিয়া (৩৬)।

বিজ্ঞাপন

রায় ঘোষণার সময় আক্তারুজ্জামান বিশ্বাস, মাহামুদুল হাসান, বাবুল বিশ্বাসসহ  ছয়জন উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ৩১ অক্টোবর কুষ্টিয়ার কুমারখালী এলাকার গোবিন্দ চরের ঘাটে অজ্ঞাতনামা একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পরদিন ১ নভেম্বর কুমারখালী থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) লিয়াকত আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালে ৩১ অক্টোবর চারজনকে অভিযুক্ত করে পুলিশ। পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে অভিযুক্তরা রাজবাড়ী জেলার তেতুলিয়া এলাকার হাশেম শেখের ছেলে মিঠু শেখকে (২৪) কুপিয়ে হত্যা করে।

অপরদিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দহকুলা গ্রামে ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে পূর্বশত্রুতার জেরে মোল্লা মাসুদ করিম লাল্টুকে কুপিয়ে হত্যা করে আসামিরা। নিহতের ভাই মাহবুবুল করিম মোল্লা আসামিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। নিহত মোল্লা মাসুদ করিম লাল্টু দহকুলা গ্রামের সোহরাব উদ্দিন মোল্লার ছেলে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।  

কুষ্টিয়া কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী পৃথক এ রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ বিচার শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুটি মামলায় ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ জরিমানা এবং অনাদায়ে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।



সাতদিনের সেরা