kalerkantho

রবিবার । ৪ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

টাঙ্গাইলে নিখোঁজ অন্তঃসত্ত্বা নারীর লাশ পাওয়া গেল ঝোপে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

৩ নভেম্বর, ২০২২ ০৫:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টাঙ্গাইলে নিখোঁজ অন্তঃসত্ত্বা নারীর লাশ পাওয়া গেল ঝোপে

স্বজনদের আহাজারি

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে অন্তঃসত্ত্বা ফাতেমা আক্তারের (৩৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সহবতপুর গ্রাম থেকে নিখোঁজের ছয় দিন পর ঝুলন্ত অবস্থায় তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি গ্রামের মৃত সমাজ মিয়ার তৃতীয় কন্যা।  

জানা যায়, ফাতেমার বিয়ের কয়েক বছর পর সন্তানসহ প্রথম স্বামী আলীম ফাতেমাকে তালাক দেন।

বিজ্ঞাপন

ফাতেমা সংসারের অভাবের তাড়নায় সৌদি পাড়ি দেন। টানা পাঁচ বছর প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফেরত আসেন। পরে ফাতেমা ঢাকায় একটি গার্মেন্টে চাকরি নেন। চাকরির সুবাদে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার আরশেদ আলীর ছেলে রুবেল মিয়ার সঙ্গে প্রথমে প্রেম, পরে বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় দুই মাস পর রুবেলের ছোট ভাই শামিমের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ফাতেমা। পরে রুবেলকে তালাক দিয়ে ছোট ভাই শামিমকে বিয়ে করে সাত মাস ধরে ঘর-সংসার করে আসছিল। এরই মধ্যে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ফাতেমা।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) স্বামীসহ ফাতেমা তার বাবার বাড়ি সহবতপুর আসেন। পরের দিন সকালে স্বামী শামিম ঘুম থেকে উঠে তার স্ত্রী ফাতেমাকে আর খুঁজে পান না। ফাতেমার বাড়ির লোকজন স্বামী শামিমকে চাপ সৃষ্টি করলে শামিম কোনো উত্তর না দিয়ে পালিয়ে ঢাকা চলে যান। নিহত ফাতেমার বাড়ির লোকজন শামিমের মোবাইল ফোনে যোগযোগ করলে শামিম নানা রকম কথাবার্তা বলেন। নিখোঁজের ছয় দিন পর বাড়ির পাশ থেকে মাটি আনতে গিয়ে ঝোপের মধ্যে ফাতেমার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান চাচাতো ভাবি পারুল।  

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) হাসান সরকার জাহিদ বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  



সাতদিনের সেরা