kalerkantho

সোমবার । ২৮ নভেম্বর ২০২২ । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

‘গিডমিড বুঝি না, কারেন্ট তাহে না এইডাই বড় কথা’

আঞ্চলিক (ময়মনসিংহ) ও কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি    

৬ অক্টোবর, ২০২২ ০২:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘গিডমিড বুঝি না, কারেন্ট তাহে না এইডাই বড় কথা’

‘আমরা তো গাঁও-গেরামের মানুষ, আগে কুপিবাতি জ্বালাইয়া চলতাম—এইডাই ভালা আছিন। অহন তো কারেন্ট আইয়া খুব ঝামেলার মধ্যে পালছে। একবারেই দুই ঘণ্টা কারেন্ট আছিন, এইডা কইতাম পারতাম না। আর অহন তো বুলে কারেন্ট কোন সময় আইবো এইডার লাইগ্যা বইয়া থাহি।

বিজ্ঞাপন

গিডমিড কী, তা-ও বুঝি না, কারেন্ট তাহে না এইডাই বড় কথা। ’

বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের বিষয়ে গতকাল বুধবার ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের তসরা গ্রামের আবু সিদ্দিক (৬০) এভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। আগে-পরে বিদ্যুতের একই রকম আসা-যাওয়ার কারণে তাঁর কাছে গ্রিড বিপর্যয় আলাদা কোনো মানে তৈরি করে না।

উপজেলার অনেক গ্রামের লোকজন জানায়, গ্রিড বিপর্যয়ের আগেও তারা বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তিতে ছিল। এখনো আছে। তাদের দাবি, এমনিতেই গ্রামে ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুৎ থাকে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা। সম্প্রতি বিদ্যুতের এই অবস্থায় তারা যেন অভ্যস্ত হয়ে গেছে।

উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের আবু চান নামের এক পোলট্রি ব্যবসায়ী বলেন, আগে যাও কিছু সময় বিদ্যুৎ পাওয়া যেত তা কয়েক দিন ধরে খারাপ অবস্থা। ফ্যান চালু না থাকায় প্রচণ্ড গরমে তার অনেক মুরগি মরে গেছে। বেতাগৈর গ্রামের নন্দন বলেন, ‘আমরার বিদ্যুৎ যায় না, কোন সময় আয়ে হেইডার লাইগ্যা বইয়া থাহি। ’

এদিকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার গ্রামগুলোতেও একই চিত্র পাওয়া গেছে। উপজেলার পতনউষারের রাঙ্গাটিলা গ্রামের আবাদুল কুদুস বলেন, ‘আমাদের গ্রামে এমনিতেই দিনে তিন-চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। তাই গ্রিড বিপর্যয়ের কারণে মঙ্গলবার সারা কমলগঞ্জে বিদ্যুৎ ছিল না রাত ১০টা পর্যন্ত তা জানা ছিল না। ’ শ্রীসূর্য গ্রামের আহাদ মিয়া বলেন, ‘আমাদের গ্রামে রাত ১২টায় বিদ্যুৎ এসেছে। খুবই দুর্ভোগে পড়তে হয়।



সাতদিনের সেরা