kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

গাংনীতে আশার শাখা অফিস

সিঁড়ি ও কক্ষে ছোপ ছোপ রক্ত, নিখোঁজ পিয়ন

অফিসের ম্যানেজারকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা

মেহেরপুর প্রতিনিধি   

২ অক্টোবর, ২০২২ ১১:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিঁড়ি ও কক্ষে ছোপ ছোপ রক্ত, নিখোঁজ পিয়ন

বেসরকারি এনজিও আশার অফিসকক্ষের সিঁড়ি ও কক্ষের মধ্যে ছোপ ছোপ রক্ত পড়ে আছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন অফিসের পিয়ন। ক্ষুব্ধ জনতা শাখা ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলামকে গণপিটুনির পর পুলিশে দিয়েছে।

রবিবার (২ অক্টোবর) সকালে গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়নের বাওট গ্রামে এনজিও সংস্থা আশার শাখা অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

নিখোঁজ রয়েছেন ওই অফিসের পিয়ন কাম কুক হৃদয় হোসেন (১৮)।

হৃদয় হোসেনের ভাই বিজয় জানান, গতরাতে  তার অফিসের ম্যানেজারসহ চার-পাঁচজন লোক তাদের বাড়িতে খাওয়াদাওয়া করে ভাইকে নিয়ে অফিসে চলে যান। হৃদয় তাদের সঙ্গে বেরিয়ে আর ফিরে আসেনি। সকালে হৃদয়কে তার কর্মস্থল এনজিও আশার বাওট ব্রাঞ্চে খুঁজতে যান তিনি। খুঁজতে গিয়ে রুমের মধ্যে ও সিঁড়িতে ছোপ ছোপ রক্ত পেলেও হৃদয় হোসেনের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ সময় স্থানীয়রা ব্রাঞ্চের ব্যবস্থাপককে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেন।

নিখোঁজ হৃদয়ের ভাই বিজয় অভিযোগ করেন, আশার ব্রাঞ্চ ব্যবস্থাপকের সঙ্গে একই অফিসের এক নারী মাঠকর্মীর অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। কয়েক দিন আগে তারা অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় আমার ভাই ভিডিও ধারণ করেছিল। পরে সেই ভিডিও ধারণ করা নিয়ে ম্যানেজার আমার ভাইকে হুমকিও দিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলেছে।

এদিকে আজ সকাল থেকে আশা অফিসে কোনো কর্মকর্তা বা মাঠকর্মীকে পাওয়া যায়নি। সবাই পলাতক রয়েছেন।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে ম্যানেজারকে উদ্ধার করেছে। বর্তমানে নিখোঁজের দেহ আশপাশের জঙ্গল বা পুকুরসহ অন্যান্য স্থানে খোঁজা হচ্ছে।   



সাতদিনের সেরা